ঢাকা, সোমবার   ১৫ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪৩৩

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩:৫৩, ১০ জানুয়ারি ২০২১
আপডেট: ২৩:৫৫, ১০ জানুয়ারি ২০২১

এসেছে পৌষ সংক্রান্তি, বেড়েছে নারকেল-গুঁড়ের দাম

পৌষ সংক্রান্তিকে সামনে রেখে প্রতি জোড়া নারকেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা করে

পৌষ সংক্রান্তিকে সামনে রেখে প্রতি জোড়া নারকেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা করে

বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে পৌষের শেষ দিন মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি উৎসব। আগামী ১৪ জানুয়ারি বাঙালি উদযাপন করবে ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবটি। এদিন প্রত্যেক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে তৈরি হবে নানা জাতের পিঠা-পুলি।

পৌষ সংক্রান্তিকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমে উঠেছে বাজার। সুস্বাদু পিঠা তৈরির উপকরণ কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সেখানকার মানুষ।  

সংক্রান্তির পিঠা তৈরিতে বেশি ব্যবহার করা হয় দুধ, নারকেল, চিনি ও গুঁড়। এদিকে কমলগঞ্জের বাজারে বেড়েছে গুঁড়ের দাম। শুধু তাই নয় প্রতি জোড়া নারকেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

সরেজমিনে কমলগঞ্জ উপজেলা সদর ও শমশেরনগর বাজার ঘুরে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি গুঁড় বিক্রি হচ্ছিল ৮০ টাকা দরে। এখন সে গুঁড় বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে। খেজুরের গুঁড় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২০ টাকা দরে।

এক সপ্তাহ আগে যে নারকেল বিক্রি হয়েছিল ৫০ টাকা করে। এখন তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ টাকায়। সংক্রান্তিতে পিঠা তৈরিতে নারকেল অপরিহার্য বলে ক্রেতারা বাধ্য হয়ে এই দামে কিনছেন।

বাজারে বিক্রি হচ্ছে ঢলু বাঁশ

বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টি কদমা ও বাতাসা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা করে। আর গুঁড়-তিলের নাড়ু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা দরে। 

শমশেরনগর বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী শেখর ভট্টাচার্য্য বলেন, পৌষ সংক্রান্তি উৎসবে বাংলার ঘরে ঘরে বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি ঘরে নানা জাতের পিঠা-পুলি তৈরি করা হয়। অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। আর এ সময় দুধ, নারকেল, চিনি, গুঁড় ও তিলের ব্যবহার হয় বেশি। এর সাথে আবার ঢলু বাঁশ দিয়ে চোঙা পিঠা  তৈরি করা হয়। ফলে এ সময় ঢলু বাঁশও কেনা হয়। কিন্তু এই সুযোগে বাজারে পিঠা তৈরির উপকরণের দাম বেড়ে গেছে।

শমশেরনগর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী তমিজ মিয়া ও হরিপদ পাল বলেন, আগে পাইকারী বাজারে নারকেলের দাম কম ছিল বলে কম দামে বিক্রি হতো। এখন পাইকারী বাজারে এক জোড়া নারকেল ১৮০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারেও এক জোড়া নারিকেল ২০০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে।

আইনিউজ/এম.আর/এসডিপি 

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়