ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৭ মে ২০২৬,   বৈশাখ ২৪ ১৪৩৩

কামরুল হাসান শাওন, মৌলভীবাজার

প্রকাশিত: ২০:১১, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
আপডেট: ২০:৩৬, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ পশ্চিমবাজারের ম্যানহোল ঢাকনা

মৌলভীবাজারের পশ্চিমবাজারে দীর্ঘদিন থেকে নেই ম্যানহোলের ঢাকনা। দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা, অনেকের গাড়ির চাকাও আটকা পড়ে এখানে এসে। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের পর গত এক সপ্তাহ আগে লাগানো হয়েছে নতুন ঢাকনা, তবে ভেঙে গেছে সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই।

সোমবার (২৭ সেপ্টম্বর) পশ্চিমবাজার সড়কে সরেজমিনে দেখা গেছে, ম্যানহোলের ঢাকনা ভাঙা, একটি বাঁশে পলিথিন বেঁধে রাখা হয়েছে সতর্কতার জন্য। আশেপাশে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ- 'নিম্ন মানের ঢাকনা ছিলো, তাই ভেঙে গেছে।' 

পাশের পান দোকানদার বলেন, দীর্ঘদিন ভাঙা থাকার পর ৬-৭ দিন আগে এই নতুন ঢাকনা লাগানো হয়। কিন্তু গতকাল আলুর ট্রাক যাওয়ার সময় আবার ভেঙ্গে যায়। নিম্ন মানের ঢাকনা লাগানো হয়েছে, তাই সহজেই ভেঙে গেছে।

পথচারী মাছুম বলেন, প্রতিদিন রাতে বাজারে মালবাহী বড়-বড় ট্রাক প্রবেশ করে, এখানে এসে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে চলছে পণ্যবাহী ট্রাক, ইজিবাইক, মাহিন্দ্রাসহ ছোট-বড় যানবাহন। পথচারী এবং সাইকেল আরোহীরা প্রায়ই এসব গর্তে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।

পশ্চিম বাজার ব্যাবসায়ী আফসার আহমেদ বলেন, আমার আলুর  ট্রাক প্রতিদিন প্রবেশ করে। প্রতিদিন চিন্তায় থাকি ড্রাইভার কোন সময় গর্তে গাড়ি ফেলে দেয়। অনেক দিন ধরে এই রাস্তার ম্যানহোল-ড্রেনের ঢাকনা নেই।

এদিকে গত ২০ সেপ্টেম্বর রুবেল আহমেদ মামুন নামের একজন নিজের গাড়ি গর্তে পড়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে বলেন,

মাননীয় মেয়র মহোদয় ফজলুর রহমান ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফয়ছল আহমেদ চাচার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের মৌলভীবাজারের পশ্চিম বাজার যাওয়ার আড়দের সামনের রাস্তার অবস্থা দেখুন, যেই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও গাড়ি চলাচল করে, আজ দীর্ঘদিন যাবত এই অবস্থা কারো চোখে পড়েনা। একটি দুর্ঘটনা সারা জিবনের কান্না,,দয়া করে একটি স্লেট দিলে'ই হয়ে যাবে। ছবিতে দেখুন প্রতিদিন এই রকম ঘটনা ঘটে যাচ্ছে।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুর রহমান বলেন, আমরা ঢাকনা দিয়েছি কিন্তু বারবার ভেঙ্গে যায়। যখন কুদরতউল্লাহ রোড কাজ হবে তখন আমরা নতুন করে করবো।

নিম্নমানের কাজ হয়েছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, স্লেট নিম্নমানের নয়, আমরা এতো বেশি লোডের স্লেট বানাই না। আমাদের স্লেটগুলো থাকে ৫টন-৬টনের গাড়ি যাওয়ার। রাতে এই রোডে ৩০ টনের গাড়ী চলে, ৭০০ বস্তা সিমেন্ট নিয়ে ট্রাকগুলো চলে।

তিনি বলেন, আমরা চিন্তা করছি ভালোমানের কিছু রড দিয়ে ঢাকনা দেওয়া যায় কি না। এখন স্লেট দিচ্ছি একটা পর একটা ভাঙছে।

আইনিউজ/কামরুল হাসান শাওন/এসডি

মৌলভীবাজারে আছিয়া বেগমের হাতে ১০০০ নিরাপদ শিশুর জন্ম

জলময়ূরের সাথে একদিন | বাইক্কা বিল | ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি

এক পিশাচের নির্মমতা ও একজন দেবদূতের গল্প

বয়স পঞ্চাশের আগেই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ