ঢাকা, শুক্রবার   ০৮ মে ২০২৬,   বৈশাখ ২৫ ১৪৩৩

এস আলম সুমন, কুলাউড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:৩৬, ৯ মার্চ ২০২২

কুলাউড়ায় রাস্তার পাশ গর্ত করে সড়কের মাটি ভরাট

সড়ক বানাতে গিয়ে গর্ত হচ্ছে রাস্তার পাশের স্থান। ছবি- এস আলম সুমন

সড়ক বানাতে গিয়ে গর্ত হচ্ছে রাস্তার পাশের স্থান। ছবি- এস আলম সুমন

হাকালুকি হাওরের তীরবর্তী সংযোগ সড়কের দেড় কিলোমিটার উচু ও প্রশস্তকরণ কাজের পাশে গর্ত খোদাই করে রাস্তার মাটি ভরাট করার খবর পাওয়া গেছে। এতে বর্ষায় হাওরের পানির স্রোতে সড়কে মাটি ধসে আবারো সড়কটি পানির নিচে নিমজ্জিত হওয়ার শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার ভূকশীমইল ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের গৌড়করণ-ইসলামগঞ্জ সড়কের দেড় কিলোমিটার উচু ও প্রশস্তকরলে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়। কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের আওতায় তিন লক্ষ টাকা ব্যায়ে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ। আর এ প্রকল্পের সভাপতি স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনফর আলী। 

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, গৌড়করণ-ইসলামগঞ্জ সড়কটি দিয়ে হাকালুকি হাওরে যাতায়াত করেন স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যজীবি এবং হাওরের বিলের মাছ পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন। নিচু থাকায় এ সড়কটি বর্ষায় হাওরের পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেলে এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি ও পায়ে হেঁটে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সম্প্রতি সড়কটি উচু ও প্রশস্তকরণে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয় গত জানুয়ারিতে। কিন্তু মাটি ভরাট করতে সড়কের পাশ ঘেষে গর্ত ও খাল করে তোলা হয় মাটি। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাওরের বিলে মাছ বোঝাই পিকাআপভ্যান ও মাটি পরিবহনে ট্রলি চলাচল করে। মাটি ও মাছ বোঝাই যানবাহনের চাপে কাজ শেষের মাস যেতে না যেতেই সড়েকের পাশ ভেঙে মাটি গর্তে পড়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বর্ষায় পানির স্রোতে সড়কটির নতুন ভরাট করা মাটি আবার খাল ও গর্তে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে হাওরে চলাচলকারী রছিম আলী ও আশফাক মিয়া জানান, হাওরে শিকার করা মাছ সংরক্ষণে ইসলামগঞ্জ বাজারে একটি হিমায়িত কারখানা রয়েছে। সেখান থেকে মাছ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নেওয়া হয়। রাস্তাটি নিচু ছিলো, তাই বর্ষায় ইসলামগঞ্জ বাজারে চলাচল করা যেতো না। মাটি ভরাটের কারণে বর্ষায়ও সহজে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা যাবে। কিন্তু সড়কের ঠিক পাশে গর্ত করে মাটি তুলে রাস্তায় ফেলায় বর্ষাকালে পানির স্রোতে সড়কটির মাটি আবারে ধসে যাবে।

প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনফর আলী জানান, ‘কৃষকরা তাঁদের জমি থেকে মাটি না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে সড়কের পাশ থেকে গর্ত করে মাটি তোলা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শিমুল আলী জানান, দশফুট দুরত্বের জমির মাটি কেটে রাস্তা ভরাটের নির্দেশনা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে সড়কটি সংস্কার ও পাশের গর্ত ভরাট করানো হবে। কাজটি যাতে সঠিকভাবে করা হয় এজন্য ইউপি সদস্যকে নির্দেশ দিবো।

আইনিউজ/এস আলম সুমন/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ