ঢাকা, শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ২০ ১৪৩৩

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫:৫২, ২২ আগস্ট ২০২০
আপডেট: ১৫:৫৪, ২২ আগস্ট ২০২০

আবারও বাড়ছে সিলেটের নদ-নদীর পানি

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সিলেটের নদ-নদীগুলোতে আবারও বাড়ছে পানি। সুরমা-কুশিয়ারাসহ সিলেটের সীমান্ত নদ-নদীর পানি আবার বাড়ছে।

শনিবার দৈনিক পানির স্তর-সম্পর্কিত তথ্যের সূত্রের বরাত নিয়ে সুরমা-কুশিয়ারাসহ বিভাগের নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী বরাক মোহনা কুশিয়ারা নদীর উৎসমুখ। পানি উন্নয়ন বোর্ডে সূত্রে জানা যায়, ১৯ আগস্ট কুশিয়ারার চারটি পয়েন্টে পানি কমছিল। তবে আজ শনিবার সকাল থেকে দুটো পয়েন্টে পানি বাড়ছে। অমলসিদ পয়েন্টে ১২ দশমিক ৫৪ মিটার থেকে পানি বেড়ে আজ দুপুর ১২টায় ১৩ দশমিক ০১ মিটার দিয়ে কুশিয়ারার পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। উৎসমুখে পানি বাড়ায় শেওলা পয়েন্টে ১০ দশমিক ৪৪ মিটার থেকে পানি বেড়ে ১০ দশমিক ৪৭ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়। শেরপুরে ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সকালে পানি কিছুটা বেড়ে আবার কমেছে।

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা দিয়ে প্রবাহিত দীর্ঘতম নদী সুরমার উৎসমুখ হিসেবে পরিচিত কানাইঘাট পয়েন্টেও পানি বাড়ছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ২১ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। আজ সকালে ১০ দশমিক ৪৫ মিটার থেকে বেড়ে দুপুরে ১০ দশমিক ৫৫ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। সুরমা নদীর সিলেট শহর পয়েন্টে একই সময় পানি বেড়ে আজ দুপুর ১২টায় ৮ দশমিক ৫৬ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা সিলেটের সীমান্ত নদ-নদী হিসেবে পরিচিত সারী, লোভা ও ধলাই নদের পানিও বাড়ছে। লোভা নদীর পানি কানাইঘাটের লোভাছড়া পয়েন্টে ১১ দশমিক ৩৫ মিটার থেকে বেড়ে আজ দুপুরে ১১ দশমিক ৭০ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হয়। একই সমেয় সারী নদীর জৈন্তাপুর উপজেলার সারীঘাট পয়েন্টে পানি ৯ দশমিক ০৫ মিটার থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩৫ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

ভারতের বৃষ্টিপ্রবণ চেরাপুঞ্জি থেকে নেমে আসা একটি পাহাড়ি ঝরণার উৎসমুখ হচ্ছে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদ। সেখানেও পানি বাড়া ও কমার চিত্র দেখা দিয়েছে। ধলাই নদের ইসলামপুর পয়েন্টে গতকাল সন্ধ্যায় ৮ দশমিক ৯৭ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। আজ সকালে ৯ দশমিক ০৪ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। দুপুর ১২টার পানি পরিমাপে অবশ্য ১ সেন্টিমিটার কমেছে।

তবে হঠাৎ করে পানিপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ার পরেও এই মুহূর্তে বন্যার শঙ্কা নেই। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে র পাহাড়ি এলাকায় ভারী বৃষ্টি থামলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়