ঢাকা, শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:৫২, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
আপডেট: ১৪:৫৫, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

গ্রেফতার এড়াতে দাড়ি কেটেও শেষরক্ষা হলো না ধর্ষক সাইফুরের

সিলেট এমসি কলেজে  এক তরুণীকে ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার প্রধান আসামী সাইফুর রহমান পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে নিজের মুখের দাড়িও কেটে ফেলেছে। তবুও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা খেয়াঘাট থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সাইফুর রহমান লাগঞ্জের চান্দাইপাড়া গ্রামের তাহিদ মিয়ার ছেলে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সাইফুর গ্রেফতার এড়াতে বাঁচতে তার মুখের দাঁড়ি কেটে ফেলে। সে সীমান্ত পথ ব্যবহার করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। গ্রেফতারের পর সাইফুর পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।

এদিকে, সাইফুর রহমানকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি প্রাইভেটকার যোগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে আসেন ওই তরুণী। সন্ধ্যা হয়ে এলে ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ছয় কর্মী মিলে স্বামীকে মারধর করে বেঁধে রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপও উদ্ধার করে।

পরদিন শনিবার সকালে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী তরুণীর স্বামী।

মামলার আসামীরা হলেন-এম. সাইফুর রহমান (২৮), শাহ মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেক (২৮), অর্জুন লঙ্কর (২৫), রবিউল ইসলাম (২৫) ও মাহফুজুর রহমান (২৫) । এছাড়া আরও তিন জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এদের সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আসামীদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত আর বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র।

আইনিউজ/এজেএল 

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়