আই নিউজ প্রতিবেদক
মুল্লুক চলো দিবসকে চা-শ্রমিক দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি
ঐতিহাসিক মুল্লুক চলো দিবসে সিলেটে চা শ্রমিকদের শহিদ স্মরণে র্যালি। ছবি- আই নিউজ
ঐতিহাসিক মুল্লুক দিবসের ১০৩তম বার্ষিকীর কর্মসূচীতে মুল্লুক চলো দিবসকে চা-শ্রমিক দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং সবেতন ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন চা-শ্রমিকের ১০ দফা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের বিভিন্ন চা-বাগানে মুল্লুক চলো আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।
মুল্লুক চলো আন্দোলনের ১০৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে চা-শ্রমিকের ১০ দফা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে সিলেটের খাদিম চা-বাগান, মৌলভীবাজারের হামিদিয়া ও করিমপুর চা-বাগান এবং হবিগঞ্জের লালচান্দ চা-বাগানের শহিদ মিনারে মুল্লুক চলো আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়েছে। পরে মিছিল ও চা-শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ মে) সিলেটের খাদিম চা-বাগানের শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চা-শ্রমিক ১০ দফা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক এবং খাদিম চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি চা-শ্রমিক নেতা সবুজ তাঁতি।
কেন্দ্রীয় সংগঠক মনীষা ওয়াহিদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনের উপদেষ্টা কমরেড খায়রুল হাছান, বুরজোন চা-কারখানা পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি শ্রমিকনেতা বিলাস ব্যানার্জি, কিরণ বাউরি, সবিতা মাহালি, সুশান্ত চাষা।
মৌলভীবাজারের হামিদিয়া চা-বাগানের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির অন্যতম নেতা কমরেড জহর লাল দও, চা-শ্রমিকের ১০ দফা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির সমন্বয়ক এস এম শুভ, বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি বলু নায়েক প্রমুখ।
এছাড়া মৌলভীবাজারের করিমপুর চা-বাগানে শ্রমিকনেতা বিমল বাকতি এবং বকুল ভৌমিকের নেতৃত্বে হবিগঞ্জের লালাচান্দ চা-বাগানের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা, ২০ মে, ঐতিহাসিক মুল্লুক চলো দিবসকে রাষ্ট্রীয়ভাবে "চা-শ্রমিক দিবস " ঘোষণা এবং সবেতন ছুটি দেয়ার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, চা-জনগোষ্ঠী স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আজও অনেক মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। মজুরি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এরকম গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত চা-জনগোষ্ঠী। নারী চা-শ্রমিকরা নানাবিধ রোগে ভুগছেন, শিশুরা অপুষ্টির শিকার হচ্ছেন কিন্তু চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে বাগান মালিক এবং সরকারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০২৩-২৪ মেয়াদে চা-শ্রমিকদের মজুরি এখনো বৃদ্ধি পায় নি। বিগত ২০২১-২২ মেয়াদের বকেয়া ২০০০০ টাকা আজও পরিশোধ করা হয় নি। বিভিন্ন বাগানে সাপ্তাহিক হাজিরা নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে না। যার ফলে চা-শ্রমিকরা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আন্দোলনের বিকল্প নেই। মহান মে দিবস ও মুল্লুক চলো আন্দোলনের চেতানায় সমৃদ্ধ হয়ে তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে হবে।
আই নিউজ/এইচএ
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























