নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
আপডেট: ১৯:১০, ২ মার্চ ২০২১
করোনায় বন্ধ লিগ, সিলেটে ক্রিকেটাররাই আয়োজন করল টুর্নামেন্ট
চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: আইনিউজ
মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সিলেটে ক্রিকেটের কোনো ঘরোয়া আয়োজন ছিল না। ছিল না গত এক বছরে কোনো টুর্নামেন্ট। এমন বাস্তবতায় সিলেটের খেলোয়াড়রা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। বছরজুড়ে প্র্যাকটিস করলেও সুযোগ পাচ্ছিলেন না ম্যাচ খেলার। সেজন্য ক্রিকেট সংগঠকদের ‘দেখিয়ে দেবার’ তাড়না থেকেই নিজেরা আয়োজন করলেন ২০ ওভারের একটি টুর্নামেন্ট।
‘ইভ্যালি সিলেট টি-২০ ব্লাস্ট ২০২১’ নামের এই টুর্নামেন্টির উদ্যোক্তা মূলত সিলেট ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। পরে তারা যুক্ত করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে। সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থা আর বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাও।
ফ্রেঞ্চাইজিভিত্তিক এই আসরে অংশ নেয়- এমকেবি প্লাটুন, স্টার প্যাসিফিক স্ট্রাইকার্স, সিলেট ইউনাইটেড, কুশিয়ারা রয়্যালস, এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিয়র্সের পাঁচটি দল।
গেল ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মাঠে গড়ানো এ টুর্নামেন্টের ফাইনাল হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার। ওইদিন বিকেল ৫টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুশিয়ারা রয়েলস ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিওরস।
ক্রীড়া সংগঠকদের ‘দেখিয়ে দেয়ার’ এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিওরস।
তবে টস জিতে ব্যাটিং করলেও ওয়ারিওরস খুব বেশি ভালো করতে পারেনি। দলের কেউই করতে পারেননি বড় স্কোর। এজন্য নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিওরস। দলটির অধিনায়ক জাকির হাসান আর শাহনুরের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ২৯ রান।
তবে ওয়ারিওরসের দেয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্যও তাড়া করতে পারেনি টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী দল কুশিয়ারা রয়েলস। দলটি নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে থামে ১১১ রানে। এতে ২৪ রানে জয় পেয়ে ওয়ারিওরস টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ার হওয়ার গৌবর অর্জন করে।
ফাইনালে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ হন সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিওর‘র অধিনায়ক উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান ও দলের আইকন খেলোয়াড় জাকির হাসান।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিওরসের প্রধান পৃষ্টপোষক ও সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী দলের জয়ে দারুণ উল্লসিত। তিনি বলেন, সিসিকের টিমসহ সবকটি টিম শুরু থেকেই ভালো খেলছিল। সবাই শিরোপা অর্জনের জন্য যোগ্য ছিল। খেলা যেহেতু হার জিতের তাই শিরোপা এক দলেরই হবে।
মেয়র আরও বলেন, শিরোপা কে পেল সেটা থেকে বড় বিষয় এ টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে সিলেট তথা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে অংশীদার হতে পেরে আমি ধন্য মনে করছি। করোনাকালীন পিছিয়ে পড়া ক্রিকেটারদের মাঠে ফিরিয়ে আনাই অর্জন হিসেবে দেখছি।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ক্রিকেটের এ আসরে সিলেটের স্থানীয় ও সারাদেশের প্রায় ১১৪ জনকে নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। এসব খেলোয়াড়দের মধ্য ২০ জন ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরির, ৪৩ জন ‘এ’ ক্যাটাগরির, ও ৫১ জন ‘বি’ ক্যাটাগরির। প্রত্যেক দল একজন আইকন প্লেয়ারসহ ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরির ৪ জন, ‘এ’ ক্যাটাগরির ৫ জন ও ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩ জন নিয়ে মোট ১৩ জনের একটি টিম গঠন করে।
আইনিউজ/আরআর
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার

























