নূরুর রহিম নোমান, যুক্তরাজ্য
ধারাবাহিক ফিচার (দ্বিতীয় পর্ব)
মনু নদী: সংকট, ইতিহাস ও সমাধানের খোঁজ
এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি।
মনু একটি আন্তঃসীমান্ত নদ। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পুরুষবাচকতার বিচারে এটি ‘নদ’; তবে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এবং প্রচলিত ভাষায় এটি ‘মনু নদী’ নামেই বেশি পরিচিত। পাঠকের সুবিধার্থে এই ধারাবাহিকে ‘মনু নদ’ ও ‘মনু নদী’—উভয় শব্দই ব্যবহার করা হয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এই নদী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দীর্ঘতম নদী। এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬৬ থেকে ১৬৭ কিলোমিটার।
মনু নদীর উৎপত্তি, প্রবাহপথ ও নদী ব্যবস্থাপনার ইতিহাসে সংকট এবং টেকসই সমাধানের সন্ধান
মনু নদী সেচ প্রকল্প, এর ইতিহাস এবং বর্তমান সংকটকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে হলে প্রথমেই জানতে হবে নদীটির ভৌগোলিক পরিচয়, উৎপত্তি, প্রবাহপথ এবং অববাহিকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য। একটি নদীর স্বাভাবিক রূপ ও প্রকৃতি না বুঝে তার নদীশাসন কিংবা অবকাঠামোগত ব্যবস্থাপনার ইতিহাস বোঝা সম্ভব নয়।
মনু নদকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে মৌলভীবাজার অঞ্চলের কৃষি, জনপদ, অর্থনীতি এবং বন্যার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। অথচ নদীটি সম্পর্কে অনেক মৌলিক তথ্য এখনো সাধারণ মানুষের কাছে অজানা। তাই মনু প্রকল্পের ইতিহাসে প্রবেশের আগে নদীটিকে কাছ থেকে চেনা জরুরি।
উৎপত্তিস্থল
মনু নদ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়েছে। উৎপত্তিস্থল নিয়ে গবেষকদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও অধিকাংশ ভৌগোলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যসূত্র অনুযায়ী নদীটি ত্রিপুরার লংতরাই ও আঠারোমুড়া পাহাড়শ্রেণি সংলগ্ন উচ্চভূমি থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। কিছু সূত্রে কাহোসিব (Kaho Sib) চূড়া কিংবা সখানটাং পর্বতাঞ্চলের উল্লেখও পাওয়া যায়।
উৎপত্তির পর নদীটি ত্রিপুরার কুমারঘাট ও কৈলাশহর অতিক্রম করে বাংলাদেশের দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
একটি প্রচলিত বিভ্রান্তি
কিছু সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইটে মনু নদীর উৎপত্তিস্থল হিসেবে মিজোরামের পাহাড়ের উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাপিডিয়া, সিলেটপিডিয়া, ত্রিপুরার নদ-নদী বিষয়ক গবেষণা এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সূত্রে উৎপত্তিস্থল হিসেবে স্পষ্টভাবে ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চলকেই উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্ভবত লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন মুহুরী নদীর তথ্যের সঙ্গে বিভ্রান্তি অথবা একাধিক ওয়েবসাইটে একই ভুল তথ্য পুনরাবৃত্তির কারণেই এ বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবেশ ও প্রবাহপথ
ত্রিপুরার উনকোটি জেলার কৈলাশহর অতিক্রম করে মনু নদী মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল-চানপুর গ্রামের কাম্বারঘাট এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
ভারতীয় অংশে নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯২ থেকে ৯৩ কিলোমিটার। বাংলাদেশের অংশে বিভিন্ন সরকারি ও গবেষণা সূত্রে এর দৈর্ঘ্য ৭৩ থেকে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবেশের পর নদীটি কুলাউড়া উপজেলার ওপর দিয়ে প্রথমে উত্তর ও পশ্চিমমুখী প্রবাহিত হয়। পরে রাজনগর উপজেলা হয়ে মৌলভীবাজার সদর অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী মনুমুখ বাজারের কাছে কুশিয়ারা নদীতে মিলিত হয়েছে।
পরবর্তীতে কুশিয়ারা, সুরমা ও মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ হয়ে এর পানি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হয়। অর্থাৎ মনু নদ বৃহত্তর সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা অববাহিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি উপনদী।
অববাহিকা ও বিশেষ বৈশিষ্ট্য
মনু নদীর অববাহিকার আয়তন প্রায় ৫০০ বর্গকিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ প্রায় ১১১ মিটার। নদীটির গঠন মূলত সর্পিলাকার (Meandering)।
এটি একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী। বর্ষাকালে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পানি ও পলি বহন করে নিচের সমভূমিতে নিয়ে আসে। শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ অনেক কমে গেলেও বর্ষায় পাহাড়ি ঢল ও স্বল্পসময়ের অতিবৃষ্টির কারণে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
এ কারণেই মনু বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম প্রধান আকস্মিক বন্যাপ্রবণ (Flash Flood) নদী হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (BWDB) নদী তালিকায়ও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসীমান্ত নদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
নদী নিয়ন্ত্রণের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
মনু নদী প্রকল্পকে বুঝতে হলে শুধু নদীর ভৌগোলিক পরিচয় জানলেই চলবে না। জানতে হবে পাকিস্তান আমলে নদী ও বন্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে গৃহীত বৃহৎ পরিকল্পনাগুলোর ইতিহাসও।
১৯৫৪, ১৯৫৫ ও ১৯৫৬ সালের ধারাবাহিক ভয়াবহ বন্যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছিল সরকারকে। এরপর আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একাধিক কমিশন, কারিগরি মিশন ও পর্যালোচনা পরিচালিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের অধিকাংশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের ভিত্তি গড়ে ওঠে এই ধারাবাহিক পরিকল্পনার ওপর।
ক্রুগ মিশন (১৯৫৬-৫৭)
পাকিস্তান সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জুলিয়াস এ. ক্রুগের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তর্জাতিক কারিগরি মিশন গঠন করে। তাঁর নামানুসারেই এটি ‘ক্রুগ মিশন’ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৫৭ সালে মিশনের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
মূল উদ্দেশ্য
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বন্যার কারণ অনুসন্ধান এবং দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনার রূপরেখা প্রণয়ন।
প্রধান সুপারিশ
পানিসম্পদ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠন, যার ফলেই ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় EPWAPDA।
নদীর তীরে বাঁধ, ডাইক, স্লুইসগেট ও নিষ্কাশন খাল নির্মাণ।
নদীর প্রবাহ, পলি, গভীরতা ও হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ।
Flood Control, Drainage and Irrigation (FCDI) ধারণার সূচনা।
পরবর্তীকালে এই ধারণার ভিত্তিতেই বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে FC, FCD এবং FCDI প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।
ক্রুগ পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা
ক্রুগ মিশনের সুপারিশের ভিত্তিতেই এ অঞ্চলে অবকাঠামোকেন্দ্রিক নদীশাসনের যুগ শুরু হয়। সে সময় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিজমি রক্ষা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে এর ইতিবাচক প্রভাব থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সীমাবদ্ধতাগুলোও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নদীকে বাঁধ দিয়ে প্লাবনভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করার ফলে বন্যার পানি আগের মতো বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। এতে নদীর মূল প্রবাহপথেই পলি জমা বাড়তে থাকে, নদীতল ভরাট হয় এবং নাব্যতা ও পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়।
পরিবেশবিদ ও নদী বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীকে কেবল প্রকৌশলগত অবকাঠামো দিয়ে নিয়ন্ত্রণের এই ধারণা নদীর স্বাভাবিক গতিশীলতা, পলি পরিবহন, জলাভূমির পুনর্ভরণ, মৎস্যসম্পদ এবং বাস্তুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি চাহিদাকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি।
মনু নদী সেচ প্রকল্পও মূলত এই অবকাঠামোকেন্দ্রিক দর্শনের ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিত হয়েছিল। ফলে এর অর্জনের পাশাপাশি সীমাবদ্ধতাগুলোও একই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
আইবিআরডি মূল্যায়ন ও ডাচ বিশেষজ্ঞদের অবদান (১৯৬৪-৬৬)
ক্রুগ মিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বাঁধ নির্মাণ শুরু হলেও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছিল না। ফলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নতুন করে বিভিন্ন মূল্যায়ন পরিচালিত হয়।
ডাচ পানি প্রকৌশলীরা নদী ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন পরিকল্পনায় যুক্ত হন। তাঁদের গবেষণায় বড় ও অস্থির নদীতে পর্যাপ্ত হাইড্রোলজিক্যাল জ্ঞান ছাড়া কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণের ঝুঁকির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তাঁরা নিয়ন্ত্রিত প্লাবন (Controlled Flooding), উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অববাহিকাভিত্তিক পরিকল্পনার ওপর জোর দেন।
একই সময়ে আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক (IBRD, বর্তমান বিশ্বব্যাংক) ১৯৬৬ সালে ইপিওয়াপদার মাস্টারপ্ল্যান পর্যালোচনা করে বিশাল মেগা-প্রকল্পের পরিবর্তে তুলনামূলক ছোট ও অর্থনৈতিকভাবে কার্যকর সেচ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করে।
আধুনিক প্রেক্ষাপট
ক্রুগ মিশন, ডাচ বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ এবং আইবিআরডির মূল্যায়নের ধারাবাহিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) নদী ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব অভিজ্ঞতা আরও পরিণত হয়ে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০-এর মতো দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। সেখানে কেবল বাঁধ, ডাইক বা স্লুইসগেট নির্মাণের ওপর নয়, বরং প্রকৃতিনির্ভর সমাধান (Nature-based Solutions), অববাহিকাভিত্তিক পরিকল্পনা (River Basin Approach) এবং সমন্বিত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার (Integrated Water Resources Management-IWRM) ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে নীতিমালায় এসব ধারণার সুস্পষ্ট প্রতিফলন থাকলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি, প্রকল্পভিত্তিক বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যর্থতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে সেই দর্শন এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
ফলে অনেক ক্ষেত্রেই স্থায়ী ও সমন্বিত সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক মেরামত, বাঁধ সংস্কার কিংবা প্রকল্পভিত্তিক খণ্ডিত উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীলতা রয়ে গেছে। সমালোচকদের মতে, এ কারণেই নদী ব্যবস্থাপনায় এখনো অনেক ক্ষেত্রে ‘জোড়াতালি’ নির্ভর পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি দেখা যায়।
এ ছাড়া ইউরোপের নিচু বদ্বীপ অঞ্চলের জন্য উদ্ভাবিত বহু ডাচ প্রযুক্তি ও নদী ব্যবস্থাপনার ধারণা বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর, পাহাড়ি ঢলনির্ভর নদী এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল পলিবাহী অববাহিকার সঙ্গে সবসময় পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
নেদারল্যান্ডসের প্রধান চ্যালেঞ্জ যেখানে সমুদ্রের জোয়ার ও উপকূলীয় প্লাবন, সেখানে মনু নদীর মতো নদীগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পাহাড়ি ঢল, স্বল্পসময়ের অতিবৃষ্টি এবং অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ পলি পরিবহন। ফলে একই ধরনের প্রকৌশলগত সমাধান দুই অঞ্চলে সমানভাবে কার্যকর হওয়ার সুযোগ ছিল না।
সত্তরের দশকে যখন মনু নদী সেচ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, তখন মূলত এই আন্তর্জাতিক অবকাঠামোকেন্দ্রিক দর্শনই অনুসরণ করা হয়েছিল।
আজ চার থেকে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, সেই সময়ের অবকাঠামোকেন্দ্রিক নদী ব্যবস্থাপনা কি বর্তমানের জলবায়ু পরিবর্তন, অতিরিক্ত পলি পরিবহন, দ্রুত নগরায়ণ এবং নদীর পরিবর্তিত প্রবাহব্যবস্থার বাস্তবতায় এখনো সমানভাবে কার্যকর? নাকি সময় এসেছে নদীকে কেবল নিয়ন্ত্রণের বিষয় হিসেবে নয়, বরং একটি জীবন্ত ও গতিশীল প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করে নতুনভাবে পরিকল্পনা করার?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই পরবর্তী পর্বগুলোতে ফিরে দেখা হবে মনু নদী সেচ প্রকল্পের জন্ম, বাস্তবায়ন, সাফল্য ও সীমাবদ্ধতার ইতিহাস। একই সঙ্গে অনুসন্ধান করা হবে, নদীকে প্রতিপক্ষ নয়, বরং সহাবস্থানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে ভবিষ্যতের জন্য কী শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে।
লেখক: নূরুর রহিম নোমান, যুক্তরাজ্য
(চলবে...)
- কেএফসির মালিকের জীবন কাহিনী
- প্রজাপতি: আশ্চর্য এই প্রাণীর সবার ভাগ্যে মিলন জোটে না!
- বিশ্বের অদ্ভুত কিছু গাছের ছবি
- মা-শাশুড়িকে হারিয়েও করোনার যুদ্ধে পিছিয়ে যাননি এই চিকিৎসক
- যেখানে এক কাপ চা পুরো একটি পত্রিকার সমান!
- তিন রঙের পদ্মফুলের দেখা মিলবে এই বিলে
- সোনার দাম এত কেন : কোন দেশের সোনা ভালো?
- ঢাকার মাঠ মাতানো বিদেশি ফুটবলাররা
- ২০২৩ সালে পৃথিবীর শক্তিশালী ১০টি দেশ!
- রহস্যময় গ্রামটি লাখো পাখির সুইসাইড স্পট





















