ঢাকা, সোমবার   ০৮ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৪ ১৪২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু পাঁচ লাখ ছাড়াল

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চীন থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এরই মধ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

জরিপকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১২ হাজার ৫৯০ জন। যা অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে। গত বছরের জানুয়ারিতে প্রথম মৃত্যু দেখেছিল দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাসটির দ্বারা সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার ৩০৭ জন। যাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ৯১ লাখ ১৪ হাজার ১৪০ জন।

এদিকে মৃতদের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকা শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে বাইডেন বলেন, “এই দুঃখজনক পর্বে আমরা মৃতদের ও পেছনে রেখে যাওয়া তাদের প্রিয়জনদের কথা ভাবছি। আমরা, একটি জাতি হিসেবে, অবশ্যই তাদের স্মরণ করবো যেন আমরা নিরাময় শুরু করতে পারি, ঐক্যবদ্ধ হতে পারি এবং এক জাতি হিসেবে এই মহামারীকে পরাজিত করার উদ্দেশ্য খুঁজে পাই।”

করোনা মহামারীতে যে সব প্রাণ হারিয়ে গেছে সেই পাঁচ লাখ মানুষের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল ক্যাথেড্রালের ঘণ্টা ৫০০ বার বাজানো হয়।

ঘণ্টা বাজার পর হোয়াইট হাউসে গুরুগম্ভীর এক বক্তৃতায় বাইডেন বলেন, “আমেরিকায় গণমৃত্যুর যে পরিমাণ তা স্বীকার করে আমরা প্রত্যেক ব্যক্তিকে এবং যে জীবন তারা যাপন করেছেন তা স্মরণ করছি।

“সেই ছেলে যে প্রতি রাতে ফোন করে তার মায়ের খোঁজ নিত। সেই বাবা, কন্যা যার দুনিয়াকে উদ্ভাসিত করেছিল। সেই প্রিয় বন্ধু যে সবসময় পাশে ছিল। সেই নার্স যিনি তার রোগীদের বাঁচাতে চেয়েছিলেন।”

এর কয়েক মূহুর্ত পর বাইডেন ও তার স্ত্রী, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও তার স্বামী কালো পোশাক ও কালো মাস্ক পরে উপস্থিত হন। তারা নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন আর তখন বন্দনা সংগীত ‘অ্যামেইজিং গ্রেস’ বাজানো হয়।

এই ঘটনাটিকে গত ১০০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের জাতিগত স্বাস্থ্য বিষয়ে সবচেয়ে খারাপ ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন দেশটির শীর্ষ সংক্রামক বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি।

সোমবার রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এই স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, কয়েক দশক পর লোকজন বলবে ‘২০২০ এর সেই ভয়ানক বছর, হয়তো ২০২১ ও থাকবে’।

যুক্তরাষ্ট্রের এই মৃত্যুর সংখ্যায় রাজনৈতিক বিভাজনের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়