আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ০৮:৪০, ২৮ মার্চ ২০২১
রক্তে ভাসছে মিয়ানমার, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪
মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে তাদের সশস্ত্র বাহিনী দিবসেই দেশটিতে সবচেয়ে বেশি রক্তাক্ত হয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) দেশটিতে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১১৪ জন বিক্ষোভকারী।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দিবস। অথচ এই দিনটিকে বিক্ষোভকারীরা দেশটির সশস্ত্রবাহিনীর জন্য লজ্জা দিবস বলে আখ্যায়িত করেছেন।
নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। মিয়ানমারজুড়ে বিভিন্ন শহরে এই নিহতের ঘটনা ঘটেছে। ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও অন্যান্য শহরে সেনাবাহিনীর ‘মাথায়, পিঠে গুলিবিদ্ধ’ হওয়ার হুমকি উপেক্ষা করে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামেন।
মিয়ানমার নাউ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে ১১৪ জন নিহত হয়েছেন। মান্দালয়ে নিহত ২৯ জনের মধ্যে একজনের বয়স ৫ বছর। ইয়াঙ্গুনে নিহত হয়েছেন ২৪ জন।
এ ঘটনায় নতুন করে পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনার মুখে পড়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। দেশটিতে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ড্যান চুগ বলেছেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নিজেদেরকে অপমানিত করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূত সেনাবাহিনীর এই কর্মকাণ্ডকে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছেন।
দালা নামক উপশহরে স্থানীয় থানার কাছে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন চারজন। এখানে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। ইনসেইন শহরে গুলিতে নিহত হন তিনজন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মিয়ানমারের অনূর্ধ্ব-২১ ফুটবল দলের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।
মধ্যাঞ্চলীয় মিংগিয়ান শহরে গুলিতে মারা গেছেন অন্তত দুই বিক্ষোভকারী। এখানে বিক্ষোভে অংশ নেন থু ইয়া জাউ। তিনি বলেন, ‘তারা (জান্তা) পাখির মতো নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে। তবে আমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাব। জান্তা সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলবে।’
সামরিক উড়োজাহাজগুলি কারেন জাতিগত সংখ্যালঘুদের একটি অঞ্চলে বিমান হামলা চালালে কমপক্ষে দু'জন নিহত হয়ে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
এর আগে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাজধানী নেপিডোয় একটি সামরিক কুচকাওয়াজে মিয়ানমার সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং কোনও সময়সীমা না দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, সেনাবাহিনী গোটা দেশকে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য একত্রিত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী দেশজুড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে অং সান সু চির মুক্তি ও গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিদিনই বিক্ষোভ করে আসছেন সাধারণ মানুষ। শনিবারও তারা ইয়াঙ্গুন, মান্দালয়সহ অন্য শহরগুলোতে বিক্ষোভ শুরু করেন। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী দিবসে গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর রক্তাক্ত অভিযান পরিচালনা করে নিরাপত্তা বাহিনী। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে নারী-শিশুসহ হত্যা করা হয় শতাধিক বিক্ষোভকারীকে
আইনিউজ/এসডি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত





















