ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২৪, ২৯ মার্চ ২০২১
আপডেট: ১১:২৫, ২৯ মার্চ ২০২১

মিয়ানমারে সামরিক জান্তার গুলিতে ৪৫৯ জনের মৃত্যু

মিয়ানমারে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে ৪৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গুলিতে আহত হয়েছেন আরও অসংখ্য মানুষ।

এদিকে রয়টার্সের মাধ্যমে মিয়ানমারের সামরিক সরকার দাবি করছে, এসব কাজ তারা জনগনের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে করছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট উইন্ট মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এসময় একবছরের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা।

অভ্যুত্থানের পর থেকেই ফুঁসে ওঠে দেশটির মানুষ। সামরিক শাসনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভ দমনে কঠোর থেকে কঠোরতর হচ্ছে জান্তা সরকার। বিক্ষোভে সরাসরি গুলি চালানোর ঘটনা হরহামেশা ঘটছে। আর এতে প্রাণ হারাচ্ছেন গণতন্ত্রপন্থীরা।

প্রায় দুই মাস ধরে চলা বিক্ষোভে গুলির ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে শনিবার (২৭ মার্চ)। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে একদিনেই নিহত হয়েছেন ১১৪ বিক্ষোভকারী। এরপর রবিবার আরও ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস অ্যাডভোকেসি গ্রুপ। নিহতদের শেষকৃত্যে রবিবার ফের গুলি চালায় নিরাপত্তাবাহিনী।

এর আগে শুক্রবার সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিবৃতি দিয়ে বিক্ষোভকারীদের গুলি করার হুমকি দেয়া হয়। সেখানে বলা হয়, বিক্ষোভে আসলে মাথায় ও পেছনে গুলি লাগতে পারে।

বিক্ষোভে গুলি ও নিহতের ঘটনায় বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো নিন্দা জানিয়েছে। বিশ্বের ১২ দেশের প্রতিরক্ষা প্রধান এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। শনিবার দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দিবসে অংশ নিয়েছে আট দেশের প্রতিনিধি। এদিনই ১১৪ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জাতিগত বিদ্রোহীদের দমনে বিমান হামলা চালাচ্ছে জান্তা সরকার। এর ফলে জীবন বাঁচাতে অন্তত ৩ হাজার মানুষ মিয়ানমার ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়