আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ১৩:৫২, ১৫ এপ্রিল ২০২১
দীর্ঘতম আফগান যুদ্ধ সমাপ্ত করতে চান বাইডেন
আফগানিস্তানে চলমান আমেরিকার দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইতোমধ্যেই তিনি জানিয়েছেন ১মে থেকেই শুরু হবে আফগান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার। ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব সৈন্য ফেরত নিবে যুক্তরাষ্ট্র।
বাইডেনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে আফগানিস্তান সরকারও।
হোয়াইট হাউজে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ‘২০০১ সালে মার্কিন বিমান হামলা দিয়ে যুদ্ধের শুরু। আমরা এই যুদ্ধের চক্রকে অব্যাহত রাখতে পারি না। এখন সময় এসেছে দীর্ঘতম যুদ্ধটি শেষ করার।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি দেশটিতে যুদ্ধের তদারক করা চতুর্থ প্রেসিডেন্ট। এটিকে পঞ্চম কোনো প্রেসিডেন্টের হাতে আর যেতে দিতে চান না।
আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরাফ গনি টুইট করে জানিয়েছেন, তিনি বুধবার বাইডেনের সাথে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দেশটি মার্কিন সিদ্ধান্তকে সন্মান করে এবং আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের সাথে একটি সুষ্ঠ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে কাজ করব।

জানা যায়, বাইডেন তিন লাখ কর্মীসহ আফগান প্রতিরক্ষা ও সেনাবাহিনীকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে যাচ্ছে। এবার ন্যাটো জোটও একই মত দিয়েছে।
ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার সঙ্গে সংগতি রেখে তারাও আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টোনি ব্লিনকেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে জোটের মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ জানান, ন্যাটো তাদের ৭ হাজার সেনার সবাইকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।
আরও জানান, ১ মে থেকে ‘রেসুলুট সাপোর্ট’ সেনাদের প্রত্যাহার শুরু হবে এবং কয়েক মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে।
তবে এটাও বলা হচ্ছে, প্রত্যাহার করার সময় তালেবান যদি আক্রমণ করে, তবে তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। ন্যাটো জানিয়েছে, আফগানিস্তানকে নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। ন্যাটোকে ধন্যবাদ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা কখনোই ন্যাটোর দেশগুলোর এই সহযোগিতা ও পাশে থাকার কথা ভুলবে না।
বাইডেন বলেন, “আমাদের মিত্র এবং সহযোগী, সামরিক নেতা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা, কংগ্রেস ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামলা হ্যারিসের সঙ্গে নিবিড় শলাপরামর্শের পরে এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, এখনই সময় আমেরিকার এই দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসান ঘটানোর।”
সঙ্গে জানান, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আফগানিস্তানে কাজ করে যাবে এবং কাবুল সরকারকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।
বর্তমানে আফগানিস্তানে আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। ২০০১ সালে দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরুর সময় এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ। এই যুদ্ধে ২ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়। আহত হয় আরও কয়েক হাজার।
আইনিউজ/এসডি
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
























