ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ২২ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:০১, ৫ জুন ২০২১
আপডেট: ১৪:৫১, ৫ জুন ২০২১

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে খাবারের দাম

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে ভেঙে গেছে খাদ্য উৎপাদনকারী দেশগুলোর অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। ফলে বিশ্বব্যাপী বাড়ছে খাবারের দাম। গত দশ বছরে যা সর্বোচ্চ বলে দাবি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বা ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের।

জাতিসংঘ জানাচ্ছে, খাবারের দাম বৃদ্ধির সূচক মে মাসে সর্বোচ্চ হয়েছে। ১২৭.১ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। যা কিনা চলতি বছরের এপ্রিল মাসের তুলনায় ৪.৮ শতাংশ বেশি এবং গত বছর মে মাসের তুলনায় ৩৯.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন জানাচ্ছে, মূলত ভোজ্য তেল, চিনি ও দানাশস্যের দাম আন্তর্জাতিক স্তরে বৃদ্ধি পাওয়াতেই সামগ্রিকভাবে দাম বেড়েছে খাবারের। করোনা সঙ্কটে খাদ্যশস্যের উৎপাদনেও ভাটা পড়েছে। ফলবশত যোগান কম হচ্ছে।

বিশেষত, ভোজ্য তেলের উপর এর প্রভাব প্রকট। আর যার জেরেই মহার্ঘ হচ্ছে খাবার। ভাটা পড়েছে গমের উৎপাদনেও। এদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদক ব্রাজিলে করোনা সঙ্কটে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষবাসে। চিনির রপ্তানি তাই বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্য, তেলবীজ, দুগ্ধজাত খাবার, মাংস এবং চিনির মত খাদ্যপণ্যের দাম অনুসরণ করে এফএও সম্প্রতি ইনডেক্স তৈরি করেছে।

যে পাঁচটি উপাদানের উপর ভিত্তি করে এই ইনডেক্স তৈরি করা হয়েছে তার সবগুলোরই দাম বেড়েছে। যার ফলে ভেষজ তেল, শস্য এবং চিনির দাম বেড়েছে।

এদিকে করোনাকালে ব্যাপকভাবে বেড়েছে প্রোটিনজাত খাবারের চাহিদা। এক্ষেত্রে সবথেকে বেশি আমদানি বাড়িয়েছে চীন। উৎপাদনের মাত্রা তেমন বৃদ্ধি না পাওয়ায় দাম বাড়ছে প্রোটিনজাত খাবারেরও। যদিও এর মধ্যে মাখনের দাম কমেছে নিউজিল্যান্ডের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য। সব মিলিয়ে আগামী দিনেও যে খাদ্যশস্যের দাম বৃদ্ধি পাবে তা খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এই পরিসংখ্যানে স্পষ্ট।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশই নানা মেয়াদে লকডাউন দিয়েছে। লকডাউনে চলাচলের উপর নানা বিধিনিষেধ থাকায় খাদ্যপণ্যের বাজারজাতকরণ এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। যোগানের অভাবে অনেক জায়গায় খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে এবং দাম বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এখনো নানা দেশে লকডাউন চলছে। তার মধ্যে খাবারের উচ্চ চাহিদা এবং উৎপাদন কমে যাওয়া অব্যাহত থাকলে মুদ্রাস্ফিতি দেখা দেবে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়