ঢাকা, শুক্রবার   ১২ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:২৪, ১৫ জুন ২০২১
আপডেট: ১৫:৩৬, ১৫ জুন ২০২১

করোনার ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের পর এবার নতুন আতঙ্ক ‘ডেল্টা প্লাস’

গত মে মাসেই ভারতীয় করোনাভাইরাসে নতুন রূপ লক্ষ্য করা যায়। প্রথম শনাক্ত হওয়ায় অনেকে এটিকে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টও বলে থাকে। করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর এই ধরণটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'ডেল্টা ভাইরাস' নাম দেয়। দেশটিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে দায়ী ছিল এই ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু এখন এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টেরও রূপ বদলেছে। বিজ্ঞানীরা এর নতুন নামকরণ করেছেন 'ডেল্টা প্লাস' ভ্যারিয়েন্ট।

ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট মোনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল ট্রিটমেন্টের বিরুদ্ধেও টিকে থাকতে সক্ষম। এই চিকিৎসা পদ্ধতি সম্প্রতি শনাক্ত করেছে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্র্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন।

করোনার নতুন শনাক্ত ভ্যারিয়েন্টটি সম্পর্কে এক জিনোম সিকোয়েন্সিং বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ডেল্টার এই সিকোয়েন্সের স্পাইক মিউটেশন পাওয়া যেতে পারে এর মধ্যে। এখনও পর্যন্ত ১০টি দেশে এই জিনোম খুঁজে পাওয়া গেছে।

এই সিকোয়েন্স সম্প্রতি নতুন বংশবিস্তার করেছে যাকে বলা হচ্ছে ডেল্টা প্লাস। এটি ডেল্টারই অনুরুপ ভাইরাস। ডেল্টা প্লাস এমন একটি মিউটেশন যা বিটা ভ্যারিয়েন্টের মধ্যেও পাওয়া যায়।

পাব্লিক হেল্থ ইংল্যান্ড সম্প্রতি এক তথ্যে জানিয়েছে, ৭ জুন পর্যন্ত ভারতে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট ৬টি জিনোমের মধ্যে পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ৬৩টি জিনোম রয়েছে যার মধ্যে নতুন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মিউটেশন উপস্থিত। দিল্লির ইনস্টিটিউট অব জেনোমিক্স অ্যান্ড ইন্টেগ্রেটিভ বায়োলজির এক বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, দ্রত সংক্রমিত হয় ভ্যারিয়েন্ট প্লাস। এর জন্য ভ্যারিয়েন্ট ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনই দায়ী।

এটি হল এমন এক ধরনের ভ্যারিয়েন্ট যা মানুষের কোষে প্রবেশ করে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটায়। যদিও বর্তমানে ভারতে এই ভাইরাসটি খুব বেশি ছড়ায়নি। তবে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে এর সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, জাপান, পর্তুগাল, পোল্যান্ড, তুরস্ক, নেপাল এবং সুইজারল্যান্ডের মতো ভারত ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এটি শনাক্তের খবর পাওয়া গেছে।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়