ঢাকা, সোমবার   ১৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

দীপংকর মোহান্ত

প্রকাশিত: ১৯:০৮, ১৫ ডিসেম্বর ২০২১
আপডেট: ০০:১০, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১

১৯৭১ : উদয়ের পথে রক্তের দাগ

শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপাল [৩ জনের মধ্যের ছবি]

শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপাল [৩ জনের মধ্যের ছবি]

অগণন বাঙালির রক্ত-গঙ্গায় ভেতর দিয়ে উদিত হয়েছে আমাদের মাতৃভূমি। যার প্রতীকায়িত স্বাধীনতার চিহ্ন হলো ‘লাল-সবুজের পতাকা’। আমাদের স্বাধীন পতাকার চেতনায় সমুজ্জ্বল হয়ে আছে শহিদের রক্তের দাগ- যারা কখনো মুক্ত বাতাস আর এটোঁ মাটির গন্ধ নিতে পারেনি। এমন কয়েকজন শহিদের কথা আমরা বলার চেষ্টা করবো।

কালো- ২৫: মার্চ ঢাকা হলে শহিদ মশাহিদ উদ্দিন আহমদ

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার দ্বারক গ্রামের [বর্তমান মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড] শহিদ মশাহিদ উদ্দিন আহমদ তখন ঢাকায় তিব্বত কোম্পানির অধীনে উচ্চপদে চাকরি করতেন। তাঁর এক বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হলে থাকতেন। তিনি সময়ে-অসময়ে ওখানে আড্ডা দিতেন ও রাতে থাকতেন।

মশাহিদ উদ্দিন আহমদের জন্ম অনুমানিক ১৯৪০ সালে। তাঁর পিতার নাম মহিউদ্দিন আহমদ। তিনি চা বাগানে চাকরি করতেন। মশাহিদ উদ্দিন মৌলভীবাজার সরকারি স্কুল থেকে ১৯৫৭ সালে মেট্রিক পাশ করেন। পরে তিনি কিছুদিন শ্রীমঙ্গলের রাজঘাট চা বাগানে চাকরি করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৪ সালে সৈয়দা জাহিরুন্নেছাকে বিয়ে করেন। তাঁদের চার ছেলে ও এক  মেয়ে ছিল।

একসয় চা বাগানের চাকরি ছেড়ে তিনি ঢাকা যাওয়ার পর বেশিরভাগ সময় ইকবাল হলের বন্ধুর কাছে থাকতেন। এই হলের নীচ তলায় বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ কামালও মাঝে-মধ্যে থাকতেন। ফলে ছাত্র রাজনীতি ছিল এই হলে তুঙ্গে। মার্চের শেষ দিকে এই হলের ছাত্ররা বিহারিদের কাছে থেকে অস্ত্র ছিনতাই করে হলে জমা রাখে। ২৫ মার্চ মশাহিদ উদ্দিন বন্ধুকে দেখার জন্য সন্ধ্যে বেলা ইকবাল হলে গিয়ে তার অপেক্ষা করতে-করতে রাত্রিযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। এদিকে বন্ধুও কথা মতো আসেননি। অর্থাৎ চারদিকে ব্যারিকেড থাকায় তিনি ঢাকায় পৌছাতে পারেননি।

সেই কালো রাতে ইকবাল হল পাক সেনারা আক্রমণ করে। এই আক্রমণের মুখে পড়েন মশাহিদ উদ্দিন। তাঁকে নেওয়া হয় ছাত্রদের লাইনে। অতপর সবাইকে পাক সেনারা গুলি করে হত্যা করে। এই লাইনে ছিলেন মৌলভীবাজারের অন্য একজন ছাত্র। তিনি মশাহিদ আহমদকে চিনতেন এবং লাইনের ভেতর তিনি তাঁকে দেখেছিলেন। তবে লাইনে গুলি করার আগেই সে ছাত্র ভয়ে মাথা ঘুরে আগে পড়ে গিয়ে আহত অবস্থায় বেঁচে যায়। তাঁর পায়ে গুলি লাগে। সারা রাত লাশের স্তুপে তিনি থাকেন। পরদিন জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখেন মশাহিদ উদ্দিনের একটা পা তার উপরে পড়ে আছে। অনেক কৌশলে তিনি তিন মাস পর ঢাকা ছাড়েন।

শহিদ মশাহিদ উদ্দিন আহমদ

শহিদ মশাহিদ উদ্দিনের খবর না পেয়ে তাঁর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সেই ছাত্রের মাধ্যমে জুন মাসে পরিবার-পরিজন দুঃসংবাদ পেয়ে যান। অনেক খোঁজ করেও তাঁর লাশ পাওয়া যায়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শত-শত ছাত্রের সাথে মশাহিদ উদ্দিন আহমদও দেশের জন্য শহিদ হয়েছেন। তাঁর নাম কোনো শহিদের তালিকায়  কোথাও ওঠেনি। 

[কৃতজ্ঞতা: ১. মুর্শেদ আহমদ মুন্না (শিক্ষক), গ্রাম: দ্বারক, মৌলভীবাজার; ২. নিজামুল ইসলাম ডালুন, ৭৫৯, দ্বারক, মৌলভীবাজার]

শহিদ সুরবালাসুন্দরী ও মাতঙ্গিনী দেবীর কঙ্কাল

তারা ছিলেন মৌলভীবাজার শহরের স্থায়ী বাসিন্দা [৩৪, সেন্ট্রেল রোড]। উভয়েই অতি বৃদ্ধ। রাজনীতি না করলেও  তাঁরা  উত্তাল দেশের পরিস্থিতি ও পাক সেনাদের অত্যাচারের কথা জানতেন। কারণ তাঁদের বাসার সামনে দিয়ে-ই মার্চ মাসের জনতার জঙ্গি মিছিল ও আন্দোলনের ঢেউ বয়ে যায়। ২৫ মার্চ গণহত্যার প্রতিবাদে শহর জ্বলে ওঠে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা হলে মানুষের মধ্যে যুদ্ধের নিশ্চিত পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রচেষ্টা চলে। ২৬ মার্চ থেকে কর্নেল সরফরাজের নেতৃত্বে পাক সেনারা তাণ্ডব চালায়। কার্ফু ভেঙে সেদিন শহীদ হয়েছিলেন রেদন মিয়া, ছাওমনা ঠাকুর, তারা মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচজন শ্রমিক।

মৌলভীবাজার শহর সংলগ্ন পিটিআই ও রেস্ট হাউসে পাক সেনাদের নির্যাতনের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। অর্থাৎ পাকসেনাদের অত্যাচারে শহরবাসী নাভিশ্বাস। পাকসেনাদের সাতে যুক্ত হয় শহর ও শহরতলীর দালাল ও রাজাকারগোষ্ঠী। অপরদিকে প্রতিরোধ যুদ্ধও শুরু হয়। পাকসেনারা প্রতিরোধের মুখে পড়ে। হবিগঞ্জ থেকে কর্নেল রব, মেজর সিআর দত্ত, কমান্ডেট মানিক চৌধুরী প্রমুখ হাজার হাজার মানুষ নিয়ে পাকসেনাদের তাড়ানোর জন্য যে পরিকল্পিত অভিযান শুরু করেছিলে [২৮ মার্চ]- সে খবরে পাক সেনারা শেরপুরে গিয়ে ডিফেন্স নেয়।

প্রতিরোধযুদ্ধে পরাস্ত পাকদের শেরপুরে পাক ব্যূহ ভেঙে গেলে মৌলভীবাজারসহ বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল প্রায় মাসদিন স্বাধীন থাকে [সিলেট শহরে তাদের তাণ্ডব চলে], কোথাও কোথাও আবার প্রতিরোধ যুদ্ধ চলে। অন্যদিকে পাক সেনারা সিলেট বিমান বন্দরকে কেন্দ্র করে সৈন্য ও রসদ সংখ্যা বাড়ায় এবং যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামে। পাক সেনারা সিলেট-সুনামগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ পুনঃদখলের চেষ্টায় সর্বগ্রাসী হায়েনার মতো উন্মত্ত হয়ে অগ্রসর হয়। তারা চারদিকে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন ইত্যাদি চালায়- যা আজকে ‘জেনোসাইড’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এমতাবস্থায় ২৮ এপ্রিল মৌলভীবাজার পাকসেনাদের অধীনে চলে যায়। শুরু হয় ত্রাসের রাজত্ব। পাক দৈত্যদের সাথে ষাড়ের মতো তেজী হয়ে ওঠে দেশীয় রাজাকার ও শান্তি কমিটির লোকজন। হত্যা লুটতরাজ নারী নির্যাতন সাধারণ ব্যাপার হয়ে ওঠে।

৩০ এপ্রিল ১৯৭১, শহরের সেন্ট্রাল রোডের হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালায়। সেদিন ৩৪ নম্বর বাসায় দুপুর [প্রায় ১২ ঘটিকা] বেলা পাকসেনা ও  স্থানীয় রাজকাররা ঘরবাড়ি আগুন দেয় এবং লুট করে নেয় জিনিসপত্র। বাসার লোকজন টের পেয়ে অনেকে লুকিয়ে যায়। এই বাসার লোকজন দেশের মায়ায় শহর ছাড়েনি। স্থানীয় শান্তি কমিটির প্রভাবশালী নেতা আগে অভয় দিয়েছিলেন থাকার জন্য। বাসা আক্রমণের সময় পাকসেনারা কাছেই ছিল। নিরুপায় হয়ে বয়োবৃদ্ধ সরলাসুন্দরী দাস চাকলাদার [বয়স: ৮২, স্বামী: নিশিকান্ত দাস চাকলাদার] ও মাতঙ্গিনী দেবী [বয়স: ৭০; স্বামী: সুগেন্দ্রকিশোর দেব] ঘরের বাইরে চলে আসেন। তাঁদের দেখামাত্র পাক সেনারা গুলি চালায়। তাঁরা দুই জন চোখের সামনেই ছটফট করতে করতে দেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাদের রক্তে ভিজে যায় স্বদেশ মাটির ধুলো। সারাদিন লাশ দুটো অভিভাবকহীন পড়ে থাকে। সন্ধ্যে বেলা স্থানীয় লোকজন বাসার পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরিবারের লোকজন লাশ উত্তোলনের জন্য মহকুমা প্রশাসনকে আবেদন করে। অতপর ৩০.ডিসেম্বর ১৯৭১ মহকুমা প্রশাসনের নেতৃত্বে পুলিশ সেই গর্ত থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করে। কঙ্কালদ্বয় পরে যথাযথ মর্যাদায় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে সমাহিত করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই জায়গায় ২০ ডিসেম্বর সরকারি স্কুলে মাইন বিষ্ফোরণে যারা শহিদ হয়েছিলেন [হিন্দু শহিদের দাহ করার অংশ]- সেই অংশে দেহাবশেষ পুনরায় দাহ করা হয়।

শহিদ সুরবালা সুন্দরী চাকলাদার ও শহিদ মাতঙ্গীনী দেবের কংকাল (১৯৭২)

১৯৭২-৭৩ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু এই শহিদ পরিবারের জন্য ২০০০ টাকার একটি চেক ও স্বীকৃতিপত্র [মহকুমা প্রশাসকের মাধ্যমে] পাঠিয়েছিলেন।

[কৃতজ্ঞতা: ১. রজতকান্তি চাকলাদার, ৮ শান্তিবাগ, মৌলভীবাজার; ২. অপর্ণা রাণি দেব, ৮ শান্তিবাগ, মৌলভীবাজার]

প্রতিরোধযোদ্ধা শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপাল

প্রতিরোধ যুদ্ধের প্রথম প্রহরে যিনি বুকের রক্ত রক্ত ঢালেন স্বদেশের মাটিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে নানা পেশার লোকজন যে কী জড়িয়েছিলেন এবং আত্মাহুতি দিয়েছিলেন তার হিসেবে যেমন নেই; তেনি কোনো গবেষণাও দৃষ্টিগোচর হয় না। মুক্তিযুদ্ধে চা জনগোষ্ঠীর অবদান আজো মূল্যায়িত হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সময় চা বাগানের ট্রাক্টর চালকদের একটা ভূমিকা ছিল। তারা প্রথম দিকে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের  গোপনে পরিবহন করতেন, জিনিসপত্র স্থানান্তর করতেন। মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত তারা এই কাজে যুক্ত ছিলেন [পাকসেনাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের আগ পর্যন্ত]। শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপাল ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন।

শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপালের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছবি

কুনকুনিয়া রুদ্রপাল কালিঘাট চা বাগানের লোক ছিলেন তিনি জেমস ফিনলে চা বাগানের গাড়ি চালক ছিলেন। তখন জেমস ফিনলে চা বাগানগুলোর ডিভিশনাল ম্যানেজার সৈয়দ মোতাহির উদ্দিন [এস এম উদ্দিন, বাড়ি: সাদিপুর, শেরপুর, মৌলভীবাজার] মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করতে গোপনে গাড়ি দিয়েছিলেন। কুনকুনিয়া রুদ্রপাল সেই গাড়ি দিয়ে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শেরপুর যুদ্ধে নিয়ে যেতেন। তার একটি পাখি শিকারের বন্ধুক ছিল।

২৫ মার্চ থেকে শ্রীমঙ্গলের প্রতিরোধে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২৮ মার্চ শেরপুর যুদ্ধে তিনি যোদ্ধাদের নিয়ে পৌঁছান। উল্লেখ্য যে তখন ভারতের কিছু বিএসএফ সদস্য ছদ্মবেশে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নেয়। গোপনে এই বিএসএফ ও গোয়েন্দাদের পৌঁছাতেন কুনকুনিয়াসহ কয়েকজন ড্রাইভার। তারা আমাদেরে প্রতিরোধ যুদ্ধাদের সাথে মিশে থাকতেন। যে কারণে পাক সেনাদের পুরোপরি মৌলভীবাজার পুণঃর্দখল করতে প্রায় মাস দিন লেগে যায় [২৮ এপ্রিলের দিকে পাকদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়]।

শেরপুর যুদ্ধের কিছুদিন পর একদিন রক্তমাখা শার্ট নিয়ে কুনকুনিয়া ঘরে প্রবেশ করেন। তাঁর অবস্থা দেখে স্ত্রী ভয় পেয়ে যান। তখন শরীর অসুস্থ। পরদিন আবার যুদ্ধে যাওয়ার কথা বলেন। স্ত্রী তাঁর পথ আগলে রেখে বলেন যে, তিন মেয়ে ও এক ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে যেন বাইরে না যান। বীরযোদ্ধা কুনকুনিয়া উত্তর দিলেন,

‘কোনো আমাকে নিষেধ করো। দেশের জন্য মরিমু। আমার ভয় নাই।’

বৌ একবার হাতে ধরে, আরেকবার পায়ে- শেষ বার কোমর ধরে আটকানোর সর্বশেষ চেষ্টা চালায়। কুনকুনিয়ার জন্য তখন সংসারের মায়া তুচ্ছ- দেশ-মাতৃকা বড় হয়ে ওঠে। স্ত্রীর শক্ত বাঁধন ছুঁড়ে বেরিয়ে পড়েন যুদ্ধে- এই ছিল তাঁর শেষযাত্রা। দুঃসাহসী কুনকুনিয়া গাড়ি নিয়ে শ্রীমঙ্গল থেকে শেরপুর-সিলেট-তামাবিল পর্যন্ত প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পৌঁছানোর খবর পাওয়া যায়। কুনকুনিয়ার কোন তারিখে এবং কোথায় শহিদ হয়েছিলেন তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। কারো মতে তিনি এপ্রিল মাসের সিলেট শহরের মধ্যে বোমার আঘাতে শহিদ হন। তবে তাঁর হাতের ঘড়ি ও গাড়ির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় তামাবিল সড়কের পাশে।

গুণ্ডা বুনার্জি নামে তাঁর একজন সহযোদ্ধা এই খবর দিয়েছিলেন। এবং ঘড়িটি দেখে সনাক্ত করেন। কুনকুনিয়ার পারিবারিক [যুদ্ধ দিনের] এক কাগজে তাঁর শহিদ হওয়ার তারিখ লেখা আছে- ৩ মে ১৯৭১। কুনকুনিয়ার লাশে আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় অনুসন্ধানে প্রতীয়ান হয় যে, কুনকুনিয়া রুদ্রপাল গাড়িতে করে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সিলেট থেকে তামাবিলের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় পাক সেনারা চ্যালেঞ্জ করে। গাড়িতে বসা ব্যক্তি নিজেকে বাগানের ডাক্তার বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। পাক সেনারা পরে সবাইকে হত্যা করে। বলা যায় শহিদ কুনকুনিয়া রুদ্রপাল প্রথম প্রহরের একজন প্রতিরোধ যোদ্ধা। তিনি শহিদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

 দীপংকর মোহান্ত, লেখক ও গবেষক।

  • খোলা জানালা বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। eyenews.news-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে eyenews.news আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আইনিউজে দেখুন আরও ভিডিও খবর

৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্ত দিবসে বর্ণাঢ্য পতাকা র‍্যালি

ঘুরে আসুন মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়

মৌলভীবাজারের বিস্ময় বালিকা : ১৯৫ দেশের রাজধানীর নাম বলতে পারে

মৌলভীবাজারের সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ভারত সরকারের পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত

এছাড়াও যে কোনও ভিডিও সংবাদের জন্য ভিজিট করুন আইনিউজের ভিডিও আর্কাইভস

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়