আবুল হায়দার তরিক, মৌলভীবাজার থেকে
আপডেট: ১৩:৫২, ১৭ জুলাই ২০২১
ঝুঁকির মুখে চামড়া শিল্প, লোকসান আতঙ্কে মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ীরা
ফাইল ছবি
চামড়া ব্যবসায়ীরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়ার দাম না পাওয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে চামড়া ব্যবসা। রপ্তানিকারক এ চামড়া উৎপাদনের প্রধান মৌসুম কোরবানির ঈদ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ বার্ষিক উৎপাদিত চামড়ার প্রায় অর্ধেক চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধস নামার পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে এ ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যবসায়ীরা ব্যবসা ছাড়তে শুরু করেছে।
মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ একসময় চামড়া ব্যবসা করতো। কিন্তু ২০২১ সালে এসে এই গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীর হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫ শতাংশের নিচে।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি দু'শো বছরের ঐতিহ্যবাহী চামড়া ব্যবসায়ী গ্রাম। এ গ্রামের অনেক চামড়া ব্যবসায়ী এখন ভিন্ন পেশায় ঝুঁকে পড়ছেন। অনেকে চামড়া ব্যবসায় লস করে ভিটে-মাটি হাড়িয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা এখন জ্বালানী কাঠ, বাঁশ বা কৃষিপণ্যসহ অন্যান্য ব্যবসায় রূপান্তরিত হচ্ছেন।
এলাকার অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৪ সালের আগে বালিকান্দি গ্রামে প্রায় দেড়-দুইশত জন চামড়া ব্যবসায়ী ছিলো। কিন্তু ২০২১ সালে এসে এখানে চামড়া ব্যবসায়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ থেকে ৭ জনে। যারা ট্যানারী আড়তদারের কাছে টাকা পান শুধু তারাই পুরাতন টাকা আদায়ের আশায় এ ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন। অনেকে আছেন ট্যানারী আড়তদারদের কাছে টাকা পান, কিন্তু টিকে থাকার সামর্থ নেই। তাই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন।
গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদের আগে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মৌলভীবাজারের চামড়া ব্যবসায়ীদের সাথে সভা করে দেশের এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় স্বল্প মূল্যে লবন ও সরকার নিধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রয় করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যবসায়ীদের চামড়া ক্রয়ের উৎসাহ দেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। তাঁর প্রতিশ্রুতি পেয়ে বালিকান্দি গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা চামড়া ক্রয় করে প্রক্রিয়াজাত করেন।
বড় চামড়ায় ১৫ কেজি এবং ছোট ও মাজারী চামড়ায় ৮ থেকে ১২ কেজি লবন দিতে হয়। তার সাথে শ্রমিকদের মজুরী যুক্ত হয়। লবন ও শ্রমিকদের মজুরী অগ্রিম দিয়ে দিতে হয়। সব মিলে চামড়া ক্রয় ও লবন দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করতে তাদের ব্যয় হয় প্রায় ২০ থেকে ২২ টাকা প্রতি ফুটে।
কিন্তু ২০ থেকে ২২ টাকা মূল্যের চামড়া আড়াই থেকে তিন মাস পরে তাদের বিক্রি করতে হয়েছে ৮ থেকে ১২ টাকা মূল্যে প্রতি ফুট। এতে চামড়া ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ লোকসানের শিকার হয়। সেই লোকসানের ভয়ে এবার কোরবানির ঈদে চামড়া ক্রয়ের কোন প্রস্তুতি নেই এসকল চামড়া ব্যবসায়ীদের। তার উপর করোনাভাইরাসের সংক্রামণ অতিদ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এই পরিস্থিতিতে শ্রমিক জমায়েত ঘটিয়ে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একদিকে ব্যবসায়ী কমে যাওয়া, অপরদিকে লোকসানের ভয়ে চামড়া ক্রয় না করা নিয়ে মৌলভীবাজারে এবারের কোরবানির ঈদে পচনশীল এ চামড়া ব্যবসা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
লোকসানের ভয়ে বিচলিত এই চামড়া ব্যবসায়ীরা একসময় ফরিয়া নিয়োগ দিতো। প্রতি ফরিয়াকে কোরবানির ঈদ মৌসুমে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা চামড়া ক্রয়ের জন্য অগ্রীম দিয়ে রাখতেন। নিয়োগকৃত ফরিয়ারা চামড়া ক্রয় করে প্রকৃয়াজাত করে তাদের লভ্যাংশ রেখে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করতো। ফরিয়ারা হয়ে যেতো মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী। কিন্তু বিগত কয়েক বছর থেকে চামড়া ব্যবসায়ীদের এই প্রচলন আর চলমান নেই। নেই চামড়া সংগ্রহের উৎসব আমেজ।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি ঐতিহ্যবাহী চামড়া ব্যবসায়ী গ্রাম। একটা সময় এ গ্রামে সমগ্র মৌলভীবাজার জেলার চামড়ার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের একাংশের চামড়া আসতো। মৌসুমি চামড়া শ্রমিকদের আয় রোজগারের একটি বড় মাধ্যম ছিলো এই চামড়া ব্যবসা। অথচ দেশে-বিদেশে চামড়ার প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও এই গ্রামের চামড়া ব্যবসায়ীরা লোকসানের ভয়ে এ ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছেন। আর তাদের এই ব্যবসা ছেড়ে দেওয়া মানে মৌলভীবাজার জেলায় হাজার-হাজার কোরবানির পশুর চামড়া পচে নষ্ট হয়ে যাওয়া। এছাড়াও অনেকে চামড়া নিতে আগ্রহী কাউকে না পেয়ে তা মাটিতে পুতে রাখেন।
মৌলভীবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যসূত্র মতে, ২০২০ সালে মৌলভীবাজার জেলায় গবাদিপশু ৫৫ হাজার ১৬৪টি, মহিষ ২২৮টি, ছাগল ২৫ হাজার ৯টি, ভেড়া ৭৫০টি কোরবানি দেওয়া হয়েছে। এবার সম্ভাব্য কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে ৭৩ হাজার ৩৫টি। চাহিদার বিপরীতে ৬৮ হাজার ৩১১টি গবাদি পশু প্রস্তুত আছে। অবশিষ্ট ৪ হাজার ৭২৪টি গবাদি পশু দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এনে সংকট নিরসন করা হবে।
বিগত ২০১৯ ও ২০২০ সালের কোরবানির ঈদে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রেতারা এসে বিক্রি করতে না পারায় শহরের শ্রীমঙ্গল সড়কে ফেলে যান। সকল চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়ালে পৌরসভার উদ্যোগে তা মাটি চাপা দেওয়া হয়। অনেক চামড়া মনু নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। মৌলভীবাজারের চামড়া ব্যবসায়ীদের লোকসানের সংশয় থেকে চামড়া ক্রয় না করলে এ পরিস্থিতি এবার আরো ভয়াবহ হবে। নষ্ট হবে জাতীয় এ সম্পদ। বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ীরা দাবী করেন ট্যানারী আড়তদারেরা সিন্ডিকেট করে সময়ক্ষেপণ করে পরবর্তী সময়ে অর্ধেক দামে ও বাকিতে চামড়া নেয়ার ধান্ধায় এমনটা করছে। বাকি টাকাগুলো খুব সহজে তাদের কাছ থেকে আদায় করা যায় না। অনেক চামড়া ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ করেনি আড়তদারেরা। এসকল চামড়া ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে টাকার আশা ছেড়ে দিয়ে জীবিকার তাগিদে অন্য পেশায় নেমেছেন।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শওকত জানান, আমি প্রায় ১২ বছর বয়স থেকে চামড়া ব্যবসার সাথে জড়িত। বালিকান্দি গ্রামে প্রায় দেড়-দুশ চামড়া ব্যবসায়ী ছিলো। বর্তমানে হাতেগোনা ৪ থেকে ৫ জন চামড়া ব্যবসায়ী রয়েছে। বিগত ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধস নামায় আমাদের গ্রামের প্রায় কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদের আগে ডিসি মহোদয় আমাদের চামড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিটিং করে আমাদের লোন বা লবন কিনে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কোন ব্যাংক চামড়া ব্যবসায়ীদের লোন দেয় না। আমাদের অল্প পুঁজিতে চামড়া কেনার পরিকল্পনা ছিলো। আমরা সরকার নিধারিত মূল্যে চামড়া বিক্রি করতে পারি না। কেনার অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করি। চামড়া ট্যানারী কোম্পানি সিন্ডিকেট করে চামড়া কম মূল্যে এবং বাকি নেওয়ার উদ্দেশ্যে সময় ক্ষেপন করে। এর ফলে আমরা চামড়া ক্রয়ে ভয়-ভিতির মাঝে আছি। তখন ডিসি মহোদয় বললেন আমাদের ২৮ টাকা চামড়া বিক্রি করে দিবেন। তাঁর আশ্বাসে আমি ৭ হাজার চামড়া ক্রয় করি। প্রথম একটি চালান নিয়ে ১২ থেকে ১৩টাকা মূল্যে বিক্রি করি। তারপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে ডিসি মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাদের জানান মন্ত্রণালয় ও ট্যানারী এসোসিয়েশনে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। কিন্তু আড়াই-তিন মাস অতিবাহিত হওয়ার পর পচনশীল চামড়া এখানে ৮ থেকে ১২ টাকা মূল্যে বিক্রি করি। এতে আমার ৪ লক্ষ টাকা লোকসান হয়েছে।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২০১৪ সাল থেকে চামড়া ব্যবসায় ধারাবাহিক ধস নেমে আসায় আমরা প্রতি বছর লোকসানের শিকার হচ্ছি। গত ২০২০ সালের কোরবানির ঈদে আমরা চামড়া কিনতে ভরসা পাচ্ছিলাম না। এসময় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক আমাদের আশ্বস্ত করেন সরকার নির্ধারিত ২৮ টাকা মূল্যে চামড়া বিক্রি করিয়ে দিবেন। তার আশ্বাসের উপর ভরসা করে চামড়া ক্রয় করি। প্রতি ফুট চামড়া ক্রয় ও প্রক্রিয়াজাত করণে প্রায় ২০ টাকা ব্যয় হয়। আমি ২ হাজার ৬০০ পিস চামড়া ক্রয় করি। কিন্তু ঈদের পরবর্তী তিন মাস সময় আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ডিসি মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করে কোন ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে ৮ থেকে ১০ টাকা মূল্যে চামড়া বিক্রয় করি। এতে আমার কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক এলিম আহমদ জানান প্রথমত এই কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কোন শ্রমিক নিয়োগ দেই নি। পুঁজি ছাড়া শ্রমিক নিয়ে কি করবো। আমাদের কাছে পুঁজি নেই। প্রতি শ্রমিককে অগ্রীম ২ হাজার করে দিতে হয়। দ্বিতীয়ত লবন ক্রয় করতে হয় নগদ টাকায়। লবন কোন দোকানি আমাদের বাকি দেয় না, কারণ আগে লোকসান দিয়ে আমরা লবনের ধার শোধ দিতে পারিনি। চামড়া বিক্রি করে শ্রমিকের টাকাই দিতে পারিনা। বর্তমানে প্রতি বস্তা লবনের দাম একশত থেকে দেড়শত টাকা বেড়েছে। এই অবস্থায় আমরা চামড়া কিনে কি করবো। এবার আমাদের চামড়া কেনার কোন পরিকল্পনা নাই। এদিকে এবার করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন চলছে। ঈদের পরে হয়তো কঠিনতম লকডাউন আসতে পারে। এই অবস্থায় আমরা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে কিভাবে কি করবো?ট্যানারীতে মাল কিভাবে পাঠাবো কিছুই বুঝতে পারছি না। তার উপর গত বছরের মত লস হলে কি হবে। আমরা ব্যাংক থেকে লোন আনি, ব্র্যাক থেকে লোন আনি, লোকসান দিতে দিতে ভিটেমাটি ছাড়ার অবস্থা।
মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়া ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমাদের ঈদে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণে যে শ্রমিক কাজ করবে তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হই কি না সে চিন্তায় ভুগছি। চামড়া নাও কিনতে পারি। চামড়া কিনে কি করবো। শ্রমিক নেই, কাজ করাতে পারবো না। চামড়া কিনে কি হবে। তার উপর লোকসানের ভয় তো আছেই।
বালিকান্দি গ্রামের সাবেক চামড়া ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সুন্দর জানান, তিনি ছোট বেলা থেকে চামড়া ব্যবসা করতেন, লোকসান দিতে দিতে এখন আর করেন না। এখন ঘরবাড়িও নেই। এক সময় এ গ্রামের ৮০ শতাংশ লোক চামড়া ব্যবসায় জড়িত ছিলো, এখন ৫ শতাংশও নেই। এখন যে সকল ব্যবসায়ী এ ব্যবসায় আছেন তাদের অন্য কোন উপায় নেই দেখে এ ব্যবসায় আছেন। অনেকের লক্ষ লক্ষ টাকা আড়তে পরে আছে।
তিনি বলেন, একসময় মৌলভীবাজারের বালিকান্দি গ্রামে সমগ্র মৌলভীবাজার জেলা ছাড়াও হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের একাংশের চামড়া আসতো। এখন লোকসানের ভয়ে কেউ চামড়া আনে না।
সাবেক আরেক চামড়া ব্যবসায়ী মো. খলিল মিয়া জানান, আমি চামড়া ব্যবসায়ী ছিলাম, এখন লোকসান দিয়ে সব পুঁজি ঢাকা ও হাজারিবাগের আড়তদার শেষ করে দিয়েছে। এখনও ব্যাংক লোন দেনা রয়েছে। চামড়া ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি। জীবিকার তাগিদে এখন কাঠের ব্যবসা করি।
মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, এবারের কোরবানির ঈদে চামড়া ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। তাদের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। তাদের সাপ্লাই চেইন মেন্টেইন করার কাজ চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে চামড়া সংরক্ষণের জন্য আমাদের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও মেয়ররা লবন সরবরাহ করবেন।
চামড়া-শিল্প দেশের সম্ভাবনাময় প্রধান শিল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম। রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করার অন্যতম প্রধান খাত। এই ব্যবসার সাথে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন স্তরের বহু ব্যবসায়ীসহ দেশের এক বিশাল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহ। এ কারণে এই শিল্পের উন্নতি ও ক্রমবিকাশের প্রয়োজনীয় উদ্যোগের পাশাপাশি চামড়া রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনা প্রয়োজন। তা না হলে এবারেও নষ্ট হবে দেশের জাতীয় এ সম্পদ- এমনটাই মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
আইনিউজ/আবুল হায়দার তরিক/এসডি
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























