ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৪ মে ২০২৬,   বৈশাখ ৩১ ১৪৩৩

রাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩:৫৮, ২০ জুলাই ২০২১
আপডেট: ১৪:৩৫, ২০ জুলাই ২০২১

মুন্সিবাজারের চেয়ারম্যান ছালেক মিয়ার বহিষ্কারাদেশ স্থগিত

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরের মুন্সিবাজারের চেয়ারম্যান ছালেক মিয়ার বহিষ্কারের আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন মহামান্য আদালত। এর আগে গত ১১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে দুর্নীতির অভিযোগে বহিষ্কার করে। 

সরকারি টাকা ব্যয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে মন্ত্রণালয়। উপসচিব মো. আবুজাফর রিপন পিএএ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে গত ১১ জুলাই এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

এর প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান ছালেক মিয়া মন্ত্রণালয়ের এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে রিট পিটিশন দাখিল করেন। তার এই পিটিশনের শুনানি শেষে  হাইকোর্ট রুল নিশি জারী করেন ও বহিষ্কারাদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেন।

ছালেক মিয়ার পক্ষে রীট পিটিশন দাখিল করেন সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

অভিযোগের বিষয়ে ছালেক মিয়া জানান, এ জায়গাটি ইউনিয়ন পরিষদের, ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত টাকা এলজিএসপির প্রকল্প থেকে এ স্থাপনা নির্মাণ করি। এই জায়গাটির মালিক ইউনিয়ন পরিষদ তাই নির্মানকৃত এই স্থাপনা যাদেরকে লিজ দেয়া হয়েছে তাদের ভাড়া ভাড়াটিয়া সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে জমা করছে, এই টাকার মালিক ইউনিয়ন পরিষদ। আমার উপর যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়, আমি এর লিখিত জবাব দিয়েছি। 

তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে প্রকল্প তৈরী করে অনুমোদন নিয়ে আমি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছি এবং ঘরগুলো আমি ইউনিয়নের মানুষকে লিজ দিয়েছি প্রতি মাসের স্থাপনার ভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ফান্ডে জমা হচ্ছে। আমার কাছে সমস্ত কাগজ-পত্র রয়েছে কোথাও আমি কোন রকমের অনিয়ম হতে দেইনি। একটি কুচক্রিমহল আমার জনপ্রিয়তাকে নষ্ট করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার পায়তারা করছে।

এর আগে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো ছালেক মিয়ার বহিষ্কারাদেশে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান ছালেক মিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নামে অধিগ্রহণকৃত ভূমিতে নির্মিত কামারপট্টি টিনশেড প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি টাকা ব্যয় করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। 

এর প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান ছালেক মিয়ার এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জনস্বার্থের পরিপন্থী বিরোধী কাজ হিসেবে গণ্য করে এবং স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪(৪) (খ) এবং (ঘ) অপরাধ সংঘটিত করায় ৩৪(১) অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়