ঢাকা, শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ২০ ১৪৩৩

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩:৩১, ৩০ জুলাই ২০২০

এই ঈদেও খুলছে না সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো

করোনাভাইরাসের কারণে অনেক দিন ধরেই বন্ধ সিলেটের সকল পর্যটনকেন্দ্র। ফলে এ খাতের সংশ্লিষ্টরা সম্মুখীন হয়েছেন বিশাল ক্ষতির। কাজ হারিয়েছেন এ খাতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী।

সিলেটের হোটেল-মোটেল মালিকরা বলছেন, প্রতিদিন কেবল সিলেটের হোটেল-মোটেল খাতে প্রায় ৩ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। অনেক উদ্যোক্তাই ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার পর্যায়ে চলে এসেছেন।

অন্যান্য বছর পর্যটন নগরীতে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকত। বিশেষ করে ঈদের সময় তার পরিমাণ বেড়ে যেত। গত এক দশকে তাই এ খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছেন বেসরকারি উদ্যোক্তারা।

দেশে সাধারণ ছুটি তুলে অনেকটাই স্বাভাবিক করা হচ্ছে অর্থনীতিকে। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সিলেটের পর্যটন খাত। 

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে অনেক ব্যবসায়ীরাই আশায় বুক বেঁধেছেন । তাদের ভাষ্য স্বাস্থ্যবিধি মেনেই যদি পর্যটন স্পটগুলো খুলে দেয়া যায় আর পর্যটক আসে তবে হয়তো কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে টিকে থাকা সম্ভব হবে।

এদিকে সিলেটের জেলা প্রশাসন বলছে, এখনই খুলে দেয়া হচ্ছে না সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেন, গত ঈদের মতোই এবারের ঈদে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। আগামী ঈদেও সিলেটের কোনো পর্যটন স্পট খুলবে না। জেলা কোভিড-১৯ বিষয়ক কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিলেটের হোটেল মোটেলগুলো খুলে দেবার সিদ্ধান্ত দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, আপাতত হোটেল মোটলেগুলো সীমিত আকারে খুলে দেয়া হলেও কোভিড-১৯ এর বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটন স্পট খোলার কোনো নির্দেশনা নেই।  

প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে আশাহত সিলেটের পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা। সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব বলেন সিলেটে তেমন ভারী শিল্প-কারখানা নেই। পর্যটন সিলেটের একটি সম্ভাবনাময় খাত। বর্তমান করোনা মহামারিকালে পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ঈদে পর্যটক আগমনের কথা মাথায় নিয়ে আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন এখাতের উদ্যোক্তারা। এমন অবস্থায় যদি সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা থাকে তবে দ্বিতীয় দফা ক্ষতির মুখে পড়বে ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, আমরা আশা করবো প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন। অন্তত সীমিত পরিসরেও যদি পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয় তাহলে এখাতে কর্মরতদের ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়