ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:২০, ১৮ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ১২:২০, ১৮ এপ্রিল ২০২১

সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয়দের অভিযোগ

ধর্ষণচেষ্টা হয়নি, জমি দখলের উদ্দেশ্যেই পুরোহিতের বিরুদ্ধে মামলা

সিলেটের গোলাপগঞ্জের মন্দিরে বৈষ্ণবের (পুরোহিত) বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বৈষ্ণবকে গ্রেফতার করেছে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। তবে স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এই মন্দিরের জমি দীর্ঘদিন ধরেই দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে একটি গোষ্টি। মন্দিরের জমি দখল নিতেই পুরোহিতকে ধর্ষণচেষ্টার মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন স্থানীয়রা। গোলাপগঞ্জের বাঘার ওই মন্দিরে কোনও ধর্ষণচেষ্টা ঘটেনি বলেও দাবি করেন তারা।

গিরিধারী জিউ মন্দিরে ভক্তবৃন্দরা এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থানীয় বাসিন্দা লিংকন দেব।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) গোলাপগঞ্জের বাঘা কালাকোনা থেকে প্রাণগোবিন্দ দাস ওরফে ফরেস্ট চৌহান (৪৬) নামের বৈষ্ণবকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি টাংগাইল জেলার দেলদোহার থানার সিলিমপুর গ্রামের কালু চৌহানের ছেলে। এছাড়ও এ ঘটনায় অভিযুক্ত বৈষ্ণবের সহযোগী কালাকোনা গ্রামের দিপংকর দেব তপন (৩৮) পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে লিংকন দেব বলেন, ঘটনার বিষয়ে গণমাধ্যমে কথিত ভিকটিমের পরিবারের দেওয়া বক্তব্য ও এজাহারে দেওয়া বক্তব্যের মধ্যে কোনো মিল নেই।

লিংকন দেব বলেন, এ ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষী যাদের রাখা হয়েছে তারা এই এলাকারই না। ঘটনাস্থলের আশেপাশে কাউকে সাক্ষী করা হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালের ২৩ আগষ্ট মন্দিরের নির্মাণকাজে বাধা প্রদান করে ধর্ষণচেষ্টা মামলার বাদির পরিবার। তারা ২ লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করে। একই বছরের ২২ ডিসেম্বর মন্দিরে ঢুকে সেবায়েতকে তারা লাঞ্ছিত করে। চাঁদা দাবি ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় দায়েল করা মামলায় সিআইডি তদন্ত করে অভিযোগপত্রও প্রদান করেছে।

প্রাণগোবিন্দ দাস ওরফে ফরেস্ট চৌহানকে গ্রেফতারের পর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের কালাকোনা গ্রামে শ্রী শ্রী গিরিধারী জিউর মন্দিরের বৈষ্ণব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রাণগোবিন্দ দাস। ধর্মীয় শিক্ষা লাভের জন্য তার কাছে প্রায়ই যাওয়া আসা করতেন এলাকার তরুণ-তরুণী সহ বিভিন্ন বয়সের হিন্দু ধর্মের অনুসারীরা।

 প্রাণগোবিন্দ দাসকে এলাকাবাসী আটক করে গণধোলাই দেন। এ সময় তার সহযোগী দিপংকর দেব তপন পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ঐ তরুণী বাদী হয়ে প্রাণগোবিন্দ দাস ও দিপংকর দেব তপনকে অভিযুক্ত করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত...

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়