ঢাকা, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৭ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২:২০, ৫ মে ২০২১
আপডেট: ০০:২০, ৬ মে ২০২১

রায়হান হত্যা মামলার চার্জশিট নিয়ে যা বললেন মা

নিহত রায়হান ও মা সালমা বেগম

নিহত রায়হান ও মা সালমা বেগম

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতিত হয়ে মারা যাওয়া রায়হানের চার্জশিট নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। রায়হানের মৃত্যুর পর থেকেই এ ঘটনাটিকে একটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে তার পরিবার। রায়হানের মৃত্যুর পর থেকেই তার মা সালমা বেগম একাই বিচার দাবি করে আন্দোলন করে আসছেন। 

বুধবার (৫ মে) রায়হান হত্যা মামলার অভিযোগপত্র  (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন রায়হানের মা সালমা বেগম। 

রায়হান হত্যার চার্জশিটের বিষয়ে সালমা বেগম বলেন, পিবিআই একটি দীর্ঘ অভিযোগপত্র দিয়েছে। এটি পুরোটা এখনও আমি পড়তে পারিনি। এছাড়া আমি একজন সাধারণ গৃহিনী। আইনী সব বিষয় বুঝিও না। এই অভিযোগপত্র নিয়ে আমার আইনজীবীদের সাথে কথা বলবো। তাদের পরামর্শ মতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

চার্জশিটে উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে (বরখাস্ত) প্রধান আসামি করে পাঁচ পুলিশসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় পিবিআই সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবীর এ কথা জানান।

১৯৬২ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রটি সংশ্লিষ্ট আদালতে জমা দেয়ার পরপরই সংবাদ সম্মেলন ডেকে পুরো তদন্ত কার্যক্রম ও আসামিদের ব্যাপারে অবগত করা হয়। চার্জশিটে বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ (বরখাস্ত) উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূইয়া, এএসআই আশেকে এলাহী, কনস্টেবল হারুন অর রশিদ, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস, ফাঁড়ির টু-আইসি এসআই মো. হাসান উদ্দিন ও গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল্লাহ আল নোমানকে আসামি করা হয়েছে।

এরমধ্যে এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া, এএসআই আশেকে এলাহী, কনস্টেবল হারুন অর রশিদ, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে রায়হান উদ্দিনের বিরুদ্ধে নির্যাতন করে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয়। আর এসআই হাসান ও নোমানের বিরুদ্ধে ঘটনার আলামত নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিস্তারিত...

অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ পুলিশ সদস্য কারাগারে আটক আছেন। শুধুমাত্র আব্দুল্লাহ আল নোমান পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য, এই চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে থেকেই রায়হানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলছিলেন সালমা বেগম। এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, কারো ইন্ধনে পূর্ব পরিকল্পনার জেরে রায়হানকে তুলে এনে নির্যাতন করেছে পুলিশ। পূর্ব বিরোধ না থাকলেও আমার ছেলেকে ধরে নির্যাতন করার অধিকার কারো নাই। সে অন্যায় করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

'আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে পুলিশ মারধর করবে কেনো?' বলেন রায়হানের মা। 

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়