ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০৭, ১৯ মে ২০২০
আপডেট: ২২:৫২, ১৯ মে ২০২০

করোনার ওষুধ আবিষ্কার করেছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়

গত কয়েকমাস ধরেই দুনিয়া জুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস।এমন পরিস্থিতিতে এই রোগের টিকা আবিষ্কারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিশ্বের একাধিক সংস্থা।তবে ভিন্ন পথেই হাঁটছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁরা চাইছেন,এমন একটা ওষুধ তৈরি করতে যা খুব কম সময়ে করোনা সংক্রমণ কমিয়ে দেবে।অন্য দিকে ওই ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য মানুষের মধ্যে সাময়িক ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তুলবে।

পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনতত্ত্ববিদ্যা বিভাগের প্রধান সানি জি বলছেন,‘‘করোনা সংক্রমিত ইঁদুরের শরীরে ওই ওষুধ ইনজেক্ট করে আমরা ফল পেয়েছি। তার দেহে ভাইরাসের প্রকোপ কমেছে।তার অর্থ, এই সম্ভাব্য ওষুধটা ফল দিচ্ছে।’’

যে সব রোগী ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাঁদের মধ্যে ৬০ জনের রক্ত সংগ্রহ করেছেন পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিভাগের গবেষকরা।রক্তে থাকা অ্যান্ডিবডি সংগ্রহ করেছেন তাঁরা।আর সেই অ্যান্টিবডিই কাজে লাগানো হচ্ছে পরীক্ষায়।সম্প্রতি একটি গবেষণাপত্রেও এ নিয়ে বলা হয়েছে,ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের দেহ যে অ্যান্টিবডি তৈরি করে তা ব্যবহার করে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

সানি জি বলছেন,‘‘ইমিউনোলজি বা ভাইরোলজি নয়,এককোষী প্রাণীদের জিনবিদ্যায় আমরা বিশেষজ্ঞ।আমরা যখন দেখলাম যে একটি মাত্র কোষ নিয়ে পরীক্ষায় ফল মিলছে,তখন রোমাঞ্চিত হলাম।এখন আমাদের দিন রাত কাজ চলছে।’’

জি-র দাবি,প্রাণী দেহে ওই ওষুধের ফল মিলেছে।তবে এখনও মানুষের উপর পরীক্ষা করা বাকি।তার প্রস্তুতি চলছে বলেই জানিয়েছেন তিনি।জি আশা করছেন,‘‘নিষ্ক্রিয় করা এই অ্যান্টিবডি থেকেই এই মহামারি প্রতিরোধের মতো ওষুধ তৈরি করা যেতে পারে।’’

সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর অ্যান্টিবডি ব্যবহার করে চিকিৎসা নতুন নয়।এর আগে এইচআইভি,ইবোলা,মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (মার্স)-এর মতো রোগের ক্ষেত্রেও এমন ভাবে চিকিৎসা করার উদাহরণ রয়েছে।

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়