ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:৪৩, ২৭ মে ২০২০
আপডেট: ১৩:৫১, ২৭ মে ২০২০

সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন সি জিনপিং

চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের উত্তর সীমান্তে লাদাখে চীনের অগ্রযাত্রা ও বাড়তি সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে দুদেশের মধ্যে চলছে তীব্র উত্তেজনা।ভারত এবং চীনের মাঝে থাকা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি বরাবর বিভিন্ন স্থানে চীন ও ভারত সেনারা মুখোমুখী অবস্থানে।ভারতের উত্তর সীমান্তে লাদাখে চীনের বাড়তি সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে দু'দেশের মধ্যে এ উত্তেজনার সৃষ্টি।

ওদিকে চীনা প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন।এ ছাড়াও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিটি দেখে তাদের সার্বভৌমত্বকে দৃঢ়তার সঙ্গে রক্ষা করতে বলেছেন।

ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সাধারণ সম্পাদক এবং ২০ লাখ সদস্যের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর প্রধান সি জিনপিং বেইজিংয়ে চলমান সংসদ অধিবেশন চলাকালীন পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এবং পিপলস আর্মড পুলিশ ফোর্সের প্রতিনিধিদের একটি পূর্ণাঙ্গ বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।

চীনের সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া বলেছে,চীনের জন্য হুমকি হতে পারে,এমন নির্দিষ্ট কোনো বিষয় উল্লেখ না করে চীনা প্রেসিডেন্ট সেনাবাহিনীকে বাজে পরিস্থিতি সম্পর্কে ভাবার পাশাপাশি যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে প্রশিক্ষণ বাড়ানো ও জটিল পরিস্থিতি কার্যকরভাবে মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখতে বলেন।

ভারতের এনডিটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়,সিকিম সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) কাছে ভারত ও চীনের সামরিক বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার প্রাক্কালে গতকাল মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেন সি জিনপিং।তিনি অবশ্য সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকির কথা উল্লেখ করেননি।

ভারত বলেছে, চীনা সেনাবাহিনী লাদাখ ও সিকিমের এলএসির পাশে সাধারণ টহল দিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে,সীমান্তের ভেতরই ভারতের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।সীমান্ত পরিচালনায় ভারত বরাবরই অত্যন্ত দায়িত্বশীল।তবে ভারত তার সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষার জন্য গভীর অঙ্গীকারবদ্ধ।ভারতীয় সেনারা সিকিম সেক্টরে এলএসি পেরিয়ে কার্যক্রম চালানোর কথা সঠিক নয়।

ওদিকে মার্কিন নৌবাহিনী বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরের পাশাপাশি তাইওয়ান জলসীমানায় টহল বাড়ানোয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সামরিক দ্বন্দ্বও বেড়ে চলেছে।ওয়াশিংটন এবং বেইজিংও করোনাভাইরাস মহামারির উৎপত্তিস্থলকে কেন্দ্র করে কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

২২ মে যুক্তরাষ্ট্রের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ব্যয়কারী চীন তার প্রতিরক্ষা বাজেট ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়িয়ে ১৭৯ বিলিয়ন ডলার করেছে,যা ভারতের চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি।সম্প্রতি কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়া চীনের এ বাজেট বৃদ্ধি অতীতের তুলনা সর্বনিম্ন।

 

সূত্র: প্রথম আলো

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়