ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৪৪, ৩ জুন ২০২০
আপডেট: ২১:৪৬, ৩ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের তীব্রতা কমে এসেছে- এইমস

ভারতের শীর্ষ স্থানীয় একটি মেডিক্যাল গবেষণা প্রতিষ্ঠান অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (এইমস)। সেখানকার  পরিচালক ডা রণদ্বীপ গুলেরিয়া মন্তব্য করেছেন, 'নতুন করোনাভাইরাসের তীব্রতা কমে গেছে এবং বর্তমানে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে হালকা লক্ষণ দেখা যায়।' 

দেশটির ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই ধরণের তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়েছে, ডা. রণদ্বীপ গুলেরিয়া বলেছেন, প্রথম দিকে যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের গুরুতর লক্ষণ ছিল। কারণ তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল, ভাইরাসটির বেশি বিস্তার ঘটতে পারেনি।

ডা. রণদ্বীপ গুলেরিয়ার দাবি, ভারতীয়দের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি। কারণ তাদের অধিকাংশের বিসিজি ভ্যাকসিন নেওয়া রয়েছে। তাছাড়া বর্তমানে দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে একেবারে অল্পসংখ্যক রোগী আইসিইউ কিংবা ভেন্টিলেটরে রয়েছেন।

তবে তিনি বলেছেন ভারতে করোনাভাইরাসের কমিউনিটি সংক্রমণ না হওয়ায় হটস্পটের লোকজনকে আরও বেশি সতর্ক হওয়া দরকার।

ভারতে করোনা চিকিৎসায় রেমডেসিভির এবং হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যাপারে তিনি বলেন, রেমডেসিভির রোগীর হাসপাতালে থাকার সময় কমিয়ে আনছে। কিন্তু গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার কমাতে তেমন কোনও ভূমিকা রাখতে পারছে না। হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন মৃদু উপসর্গের করোনা রোগীদের জন্য সহায়ক।

ভারতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ১১ হাজার ৭৭০ জন প্রানঘাতী এই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ২ হাজার ৩৫৩ জন। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হওয়ার হার ৪৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

গত ২ জুন ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোভিড-১৯ রোগীর জরুরি চিকিৎসার জন্য রেমডেসিভির প্রয়োগের অনুমোদন দেয়। বর্তমানে মাত্র ১২ থেকে ১৩টি শহরেই দেশটির মোট রোগীর ৮০ শতাংশ পাওয়া গেছে । সে ব্যাপারে  গুলেরিয়া বলেন, আমরা যদি এই হটস্পটগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, তাহলে রোগটি ভারতে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছাতে আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগবে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়