ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৪৪, ৪ জুন ২০২০

পাইলট ট্রাফিক নির্দেশ অমান্য করায় দূর্ঘটনা ঘটেছিল

পাকিস্তানের করাচিতে ঈদের কয়েকদিন আগে ৯৯ জন যাত্রী নিয়ে এক বিমান বিধবস্ত হয়। সি ঘটনায় ৯৭ জন যাত্রী নিহত হলেও বেঁচে যায় দুজন যাত্রী।

প্রায় ১২ দিন পর পাকিস্তান বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে দূর্ঘটনাটি ঘটার আসল তথ্য।  পাইলট ট্রাফিক নির্দেশ অমান্য করেছিলেন বলেই ভয়াবহ এই দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার (পিআইএ) এ–৩২০ মডেলের এয়ারবাসটি ৯১ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু নিয়ে লাহোর থেকে করাচি যাচ্ছিল। জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই অবতরণের কথা ছিল এটির। বিমানটি দুই দফায় রানওয়েতে নামার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়।

জিন্না গার্ডেনের কাছে ভেঙ্গে পড়ার আগে বিমানটির কন্ট্রোলারের কথা অনুযায়ী বিমানটি অবতরণের চেষ্টা করছিল। কিন্তু অবতরণের জন্য যে গতি প্রয়োজন তার থেকে বেশি গতি ছিল বিমানটির। তার ফলে অগ্নিসংযোগ এবং শেষে জনবহুল এলাকাতেই ভেঙে পড়ে বিমানটি।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার (পিআইএ) কাছে পাঠানো চিঠিতে এমন কথাই লিখেছিলেন পাক বিমান কর্তৃপক্ষ। পাক বিমান কর্তৃপক্ষ পাইলটের নির্দেশ না মানার প্রতিবেদন পেশ করেছে।

দেশটির বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী গুলাম সরকার জানিয়েছেন, ‘বিমান দূর্ঘটনার কারণ পার্লামেন্টে আলোচিত হবে ২২ জুন। অনেক কারণেই বিমান দূর্ঘটনা হতে পারে। বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখতে হবে। এত তাড়াতাড়ি কিছু বলা সম্ভব নয়।’

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়