ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:৩৪, ৫ জুন ২০২০

কলকাতায় বাসায় নিয়ে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে

করোনা প্রতিরোধে এখন ম্যালেরিয়ানিরোধী ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনকেই ভরসা করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কলকাতা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। তাই সেখানের যেসব এলাকায় করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেসব এলাকার বাসিন্দাদের হাতে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন তুলে দেওয়া হচ্ছে।

করোনার উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে কীভাবে ওই ওষুধ খাওয়া যেতে পারে, সে বিষয়েও সচেতন করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

গত ২৯ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত কলকাতায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ৩১০। ছয়দিনে গড়ে ৪৪ জন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। এই পরিস্থিতিতে ওহাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনষুধই পথ দেখাতে পারে বলে মনে করছে পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ।

শুক্রবার পৌরসভার ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দাদের হাইড্রোক্সিক্লোরােকুইন ওষুধ দেয়া হয়। দুপুর ১২টা থেকে ল্যান্সডাউন পদ্মপুকুরের কাছে রামময় রোডের একটি বহুতল ভবনে দুই নারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাসিন্দাদের হাতে ওষুধ তুলে দেন। 

সেখানকার বাসিন্দা শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার উপসর্গ দেখা দিলে কীভাবে ওষুধ খাওয়া যেতে পারে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন পৌরসভার কর্মীরা। তবে বাসিন্দাদের অনেকে এই ওষুধ নিতে অস্বীকার করেছেন। 

পশ্চিমবঙ্গের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, ‘প্রেসক্রিপশন ছাড়া এই ওষুধ একেবারে খাওয়া উচিত নয়। সবার শরীরে এর কাজ সমান নয়। সবার শরীরের ধরনও সমান নয়। পৌরসভা নিশ্চয়ই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েই সেবন করতে বলেছে। সেই নির্দেশ মেনে চলা উচিত। এই ওষুধ খাওয়ার একটি নির্দিষ্ট নিয়মও আছে। সেই নিয়ম না মেনে খেলে বিপদ বাড়বে।’

স্থানীয়রা বলছেন, পৌরসভার কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাইড্রোক্সিক্লোরােকুইন ওষুধ সরবরাহ করেছেন। এই ওষুধ চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া খেতে নিষেধ করেছেন তারা। যদি করোনার মতো উপসর্গ ধরা পড়ে, তাহলে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন কাজে লাগতে পারে বলেও তাদের জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছেন, ১৮ বছরের নিচে এবং ৬০ বছরের ওপরের কেউ এই ওষুধ সেবন করতে পারবেন না। হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের মতো শারীরিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হবে।  

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়