ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১২, ৭ জুন ২০২০
আপডেট: ২০:১৬, ৭ জুন ২০২০

আমেরিকার বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জাস্টিন ট্রুডোর সংহতি

গত ২৫ মে পুলিশি নির্যাতনের মাধ্যমে জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার পরের দিন থেকেই বিক্ষোভ-ধুন্ধুমার শুরু হয় আমেরিকার প্রায় প্রতিটি শহরে। এরপর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুতই বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র বিশ্বে।

আর এবার আমেরিকার বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে চলতে থাকা প্রতিবাদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। পার্লামেন্টের সামনে  ‘নো জাস্টিস, নো পিস’ সমাবেশে হাঁটু মুড়ে বসে ফ্লয়েড-স্মরণ ও পুলিশি তাণ্ডবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেও দেখা যায় তাঁকে।

ওদিকে ভাইরাল ভিডিওতে সেদিন দেখা গিয়েছিল ফ্লয়েডকে হাতকড়া পরানো অবস্থায় রাস্তায় ফেলে তাঁর ঘাড়ের উপর হাঁটুর চাপ দিয়ে মিনিট পাঁচেক বসেছিল পুলিশ অফিসার ডেরেক শভিন। অপরাধী দমনে পুলিশের এই ঘাতক ‘টেকনিক’ বাতিলের দাবিতে গত কালই ভোট হয়েছে মিনিয়াপোলিস সিটি কাউন্সিলে। নিজের প্রদেশে পুলিশের প্রশিক্ষণ থেকেই এই ধরনের প্যাঁচ-পয়জার তুলে দেবেন বলে সরব হয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নরও।

অন্যদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আছেন স্বমেজাজেই। বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রথমে  হিংস্র কুকুর লেলিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন,পরে হুমকি দেন সেনা নামানোরও। কাল হোয়াইট হাউস থেকে টিভিতে সম্প্রচারিত সাংবাদিক বৈঠকে আরও এক বার কার্যত কটাক্ষই করলেন প্রতিবাদীদের।

তাঁকে বলতে শোনা গেল, ‘‘মানবাধিকারের জন্য এটা দারুন দিন। জর্জ ফ্লয়েডও নিশ্চিত উপর থেকে দেখে বলছেন, আমার দেশের জন্য সত্যিই ভাল কিছু হল! আজ ফ্লয়েডের জন্যও দারুণ একটা দিন।’’ তাঁর এই ‘দারুণ দিন’ মন্তব্যে জুড়ল বিতর্ক।

এর প্রতিক্রিয়ায় অনেকেই বলেন, ফ্লয়েডের ঘটনা খাটো করে দেখানোটাই উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্পের। আর আগামী ভোটে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেন টুইটারে লিখলেন, ‘‘ফ্লয়েডের শেষ কথা ছিল— দম আটকে আসছে আমার। যা এখন আমেরিকার পাশাপাশি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে বিশ্বে। সেই ফ্লয়েডের মুখে যে ভাবে প্রেসিডেন্ট নিজের মতো করে কথা বসিয়ে দিচ্ছেন, তা ঘৃণ্য।’’

 

জেএ/আই নিউজ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়