ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৩৬, ১০ জুন ২০২০
আপডেট: ০১:৩৯, ১০ জুন ২০২০

সংস্কার নয়, ভেঙে ফেলা হবে পুরো পুলিশ বিভাগ

জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঠিক তেরো দিনের মাথায় বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসের সিটি কাউন্সিল।

কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে মাটিতে শুইয়ে ন’মিনিটেরও বেশি সময় ধরে তাঁর ঘাড়ের উপরে নিজের হাঁটু চাপিয়ে রেখেছিলেন মিনিয়াপোলিসের পুলিশ বিভাগের অফিসার ডেরেক শভিন, আর এতে দমবন্ধ হয়ে মারা যান জর্জ। ।এরপরই জর্জ ফ্লয়েডের এমন মৃত্যুর সংবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র।

এরইমধ্যে কৃষ্ণাঙ্গদের উপরে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের বছরের পর বছর ধরে অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে রাস্তায় নেমেছে গোটা বিশ্ব। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর দ্বায়ে কাঠগড়ায় শুধু মিনিয়াপোলিস নয়, গোটা মার্কিন পুলিশ বিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে জর্জের মৃত্যুর ঠিক তেরো দিনের মাথায় বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল মিনিয়াপোলিসের সিটি কাউন্সিল।

তারা গতকাল ঘোষণা করেছে, সংস্কার নয়, ভেঙে ফেলা হবে তাদের পুলিশ বিভাগ। নতুন আদর্শে, নতুন নীতিতে একেবারে নতুন করে সাজানো হবে এমন এক পুলিশ বিভাগ, যা শহরের সব রঙের মানুষকে সুরক্ষা দিতে পারে।

শহরের সিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট লিসা বেন্ডার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “মিনিয়াপোলিসের পুলিশ বিভাগ ভেঙে ফেলতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। জনসুরক্ষায় এমন মডেল আমরা আনতে চাই, যাতে সব সম্প্রদায় নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।” বিনা ভেটোয় সব সিটি কাউন্সিলর ভোট দিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন বলে টুইট করে জানিয়েছেন আর এক কাউন্সিল সদস্য আলোন্ড্রা ক্যানো।

এদিকে, ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলকেও ‘বর্ণবিদ্বেষী’ বলে দেগে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। রবিবার লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কোয়ারে চার্চিলের মূর্তির মূর্তির গায়ে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ লেখা পোস্টারও সেঁটে দেন তাঁরা।

 

জেএ/আই নিউজ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়