আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২:২২, ১১ জুন ২০২০
আপডেট: ১১:০২, ১২ জুন ২০২০
আপডেট: ১১:০২, ১২ জুন ২০২০
যেভাবে নিউজিল্যান্ডের করোনা জয়
করোনাকে জয় করেছে নিউজিল্যান্ড। ফলে সারাবিশ্বের প্রশংসায় ভাসছে দেশটি। দেশটিতে করোনা সংক্রমণের ১০১ দিন পরেই করোনামুক্ত হিসেবে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।
প্রায় ৪৯ লাখ জনসংখ্যার এই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে মাত্র ১ হাজার ১৫৪ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হন। আক্রান্তদের ২২ জন মারা গেছেন। বাকিরা সবাই সুস্থ। দেশটি এত তাড়াতাড়ি সফলতা পেয়েছে পাঁচটি কৌশল অবলম্বন করে। সেগুলো হলো-
দ্রুত লকডাউনঃ
করোনা জয়ের প্রথম হাতিয়ার হচ্ছে দেশটিতে দ্রুত লকডাউন। দেশটিতে যখন মাত্র ছয়জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল তখনই অর্থাৎ ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন ঘোষণা দেন, নিউজিল্যান্ড ভ্রমণে যারা আসবেন তাদের বাধ্যতামূলক দুই সপ্তাহের সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর ২৫ মার্চ আক্রান্ত যখন একশ তখন সীমান্ত বন্ধ করে লকডাউন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘শুরু থেকেই কঠোর হতে হবে আমাদের৷’ তারপর লম্বা সময় ফার্মেসি, মুদির দোকান, হাসপাতাল আর গ্যাস স্টেশন ছাড়া সব বন্ধ রাখা হয়। করোনামুক্ত হওয়ার পরও সীমান্ত বন্ধ রেখেছে দেশটি।
বেশি সংখ্যক পরীক্ষাঃ
দেশটিতে প্রতিনিয়তই বেশি বেশি করোনা পরীক্ষা হতো। নিউজিল্যান্ডে মহামারি নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কখনোই মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। তবুও এক সময় দেশটিতে দিনে আট হাজার করে মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এভাবে মোট দুই লাখ ৯৫ হাজার মানুষের করোনা টেস্ট করানো হয়েছে মাত্র ৫০ লাখ মানুষের দেশ নিউজিল্যান্ডে।
জনগণকে সম্পৃক্ত করাঃ
করোনা সংক্রমণ দূরীকরণে দেশের সব মানুষের কাছে একটি খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে সবার কাছে এই মহামারি প্রতিরোধে সাহায্য চাওয়া হয়। ওই খুদে বার্তায় (এসএমএস) লেখা ছিল, ‘এই বার্তাটি নিউজিল্যান্ডের সবার জন্য। আমরা আপনার ওপর নির্ভরশীল। রাতে আপনি যেখানে আছেন, পরবর্তী ঘোষণার আগ পর্যন্ত সেখানেই থাকতে হবে আপনাকে।’
দূরদর্শী সরকারঃ
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের স্কুল অব ফার্মাসির সিনিয়র শিক্ষক ওকসানা পাইসিক বলেন, ‘যে কোনো মহামারির বিরুদ্ধে সফল হতে হলে আপনাকে প্রথমে সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করে টেস্ট করা (পরীক্ষা) এবং আইসোলেট করে রাখতে হবে। এগুলো হচ্ছে কোনো মহামারির বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে মৌলিক কিছু পদক্ষেপ।’ সব দেশের জন্য কোভিড-১৯ থেকে রক্ষার এটাই সেরা উপায়। আর এটা মেনেই নিউজিল্যান্ড সফল হয়েছে।’
ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধাঃ
করোনা মোকাবিলায় আরও একটি বড় সুবিধা পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ার কারণে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া সহজ হয়েছে দেশটির পক্ষে। ফলে বাইরে থেকে কেউ দেশটিতে ঢুকতে পারেনি। আর এরই মাধ্যমে নতুন সংক্রমণের ঝুঁকি সহজেই এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
আইনিউজ/এসডিপি
আরও পড়ুন
বিশ্ব বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
- আইয়ুব খানের পদত্যাগের দিন আজ
- টাই পরা বাদ দিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করতে চান স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
- যুদ্ধবন্দী কারাগারে বোমা হামলা, পরস্পরকে দোষছে রাশিয়া-ইউক্রেন
- আবারও মক্কায় কালো পাথর স্পর্শ-চুম্বনের সুযোগ পাচ্ছেন মুসল্লিরা
- মাঙ্কিপক্স ঠেকাতে পুরুষদের সেক্স পার্টনার কমানোর পরামর্শ
- ভারতের স্বাধীনতা দিবস শনিবার
- গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে হা*মলা, নি হ ত ৯ হাজার ছাড়িয়েছে
- ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের মালিক রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা মারা গেছেন
- মালিতে সন্ত্রাসী হামলায় ৪২ সেনার মৃত্যু
- ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য হিও গ্রাঞ্জে দো সুলে বনায় ৫৬ জন নি হ ত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়






















