ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:৪৬, ১৪ জুন ২০২০
আপডেট: ০১:৫৩, ১৪ জুন ২০২০

ভারতকে অগ্রাহ্য করেই নেপালে বিতর্কিত মানচিত্রের অনুমোদন

অবশেষে বিতর্কিত সীমান্ত এলাকা অন্তর্ভুক্ত করেই নেপালের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভে (প্রতিনিধি সভা) নতুন মানচিত্র পাশ হলো ।

শনিবার সে দেশের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভের (প্রতিনিধি সভা) নিম্নকক্ষে পাশ হয়েছে নতুন মানচিত্র অনুমোদনের সংবিধান সংশোধনী বিল। ভারতের আপত্তি উড়িয়ে দিয়ে তাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ভারতীয় এলাকা লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখকে।

পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ নেপাল প্রতিনিধিসভার সদস্যসংখ্যা ২৭৫। নয়া রাজনৈতিক মানচিত্রে অনুমোদন দেওয়া সংবিধান সংশোধনী বিলটি পাশের জন্য প্রয়োজন ছিল দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন। শাসকদল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল নেপালি কংগ্রেস এমনকি, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মদেশীয় নেপালি দলগুলিও বিল সমর্থন করেছে। বিলের পক্ষে পড়েছে ২৫৮টি ভোট।

প্রতিনিধিসভার মুখপাত্র রোজনাথ পাণ্ডে বলেছেন, ‘‘বিতর্কের পর ভোটাভুটির মাধ্যমে স‌ংবিধান সংশোধনী বিলটি পাশ হয়েছে।”

প্রতিক্রিয়ায় ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, ‘‘কৃত্রিমভাবে এলাকা বাড়িয়ে নেওয়ার এমন দাবি ভারতের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।’’ তাঁর অভিযোগ, নেপালের এই আচরণ একতরফা এবং ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের পরিপন্থী।

নেপাল পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে এদিন মানচিত্র বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নরবণেও। তিনি বলেন, ‘‘ভারত এবং নেপালের সম্পর্ক অতীতেও ঘনিষ্ট ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। কারণ আমাদের ভৌগোলিক, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় যোগসূত্র রয়েছে।’’

গত ৩১ মে নেপালের আইনমন্ত্রী শিবমায়া তুম্বাহাম্পি সেদেশের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভে মানচিত্র-বদল বিলের খসড়া পেশ করেন। কয়েকদিন আগে নেপালের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভের সদস্য সরিতা গিরি নয়া বিলের বিরুদ্ধে একটি সংশোধনী প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন। তাতে একতরফা ভাবে মানচিত্র বদলের পরিবর্তে উত্তরাখণ্ড সীমান্তের ওই তিনটি ‘বিতর্কিত’ অঞ্চল নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্পিকার অগ্নিপ্রসাদ সাপকোটা সংবিধানের ১১২ ধারা অনুযায়ী নিজের বিশেষ অধিকার প্রয়োগ করে প্রস্তাবটি খারিজ করে দেন।

 

জেএ/আই নিউজ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়