ঢাকা, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬,   শ্রাবণ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩২, ১৫ জুন ২০২০
আপডেট: ২০:৩৩, ১৫ জুন ২০২০

নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে করোনা চিকিৎসায় ঘাটতি হবে না: গবেষণা

ভারতে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। দেশটি করোনাভাইরাসের পিক টাইমে পৌঁছাতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের দিকে বলে দাবি করছে এক গবেষক দল।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় সরকারি মেডিক্যাল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) অপারেশনস রিসার্চ গ্রুপের এক গবেষণায় এই শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

শুধু সংক্রমণ বাড়বেই না এর সাথে দেখা দিবে করোনা রোগীদের জন্য চিকিৎসায় ঘাটতি এবং আইসিইউ-শয্যা ও ভেন্টিলেটর সংকট।

গবেষণায় বলা হয়েছে, গত ২৫ মার্চ দেশজুড়ে লকডাউন জারি করায় ভারতে করোনার পিক টাইম ৩৪ থেকে ৭৬ দিন পিছিয়ে গেছে। এর ফলে সংক্রমণ কমেছে ৬৯ থেকে ৯৭ শতাংশ। লকডাউনের কারণে স্বাস্থ্য অবকাঠামো এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, লকডাউন কার্যকর থাকলে পিকে পৌঁছাতে বিলম্ব হবে। এই সময়ের মধ্যে মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরীক্ষার সুবিধা বৃদ্ধি, আইসোলেশন, কন্টাক্ট ট্রেসিং ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাবে।

ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত লকডাউনই জারি রাখতে হবে দেশটিতে বলে জানিয়েছে গবেষক দল। লকডাউনের পরে জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা আরও ৬০ শতাংশ জোরদার করা হয়েছে। যে কারণে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চিকিৎসা স্থাপনার ঘাটতি হবে না।

গবেষকরা নভেম্বরের পর দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চিত্র কেমন আকার ধারণ করতে পারে সেব্যাপারে একটি পূর্বাভাস দিয়েছেন। তারা বলেছেন, নভেম্বরের পর প্রায় ৫ দশমিক ৪ মাস পর্যন্ত আইসোলেশন শয্যার অভাব দেখা দিতে পারে। আইসিইউয়ের শয্যার ঘাটতি থাকতে পারে ৪ দশমিক ৬ মাস এবং ভেন্টিলেটরের ঘাটতি হতে পারে ৩ দশমিক ৯ মাস। 

ভারতীয় এই গবেষকরা বলছেন, জনস্বাস্থ্য অবকাঠামো ব্যবস্থা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে ভারতে মহামারির প্রকোপ প্রশমন করা যেতে পারে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়