ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৫৮, ১১ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ০০:০১, ১২ এপ্রিল ২০২১

‘দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনে খুব একটা কার্যকর নয় ফাইজারের টিকা’

ফাইজারের টিকা। ফাইল ছবি

ফাইজারের টিকা। ফাইল ছবি

বিশ্ব্বের অনেক দেশেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন। অন্যান্য ধরনের চেয়ে এটি অনেক শক্তিশালী। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফাইজারের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতাও ধ্বংস করতে পারে এই ধরন।

গবেষকরা বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকান এই ধরনের বিরুদ্ধে ফাইজারের ভ্যাকসিন খুব একটা কার্যকর না।

সম্প্রতি একটি গবেষণা চালিয়েছে তেল আবিব ইউনিভার্সিটি ও ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ক্লালিৎ। সেখানে উঠে এসেছে করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনে টিকার কার্যকারিতার চিত্র। 

একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ৪০০ জন করোনা রোগীকে নিয়ে এ গবেষণা চলে। এই রোগীরা করোনার টিকার প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ১৪ বা তারও বেশি দিন পর তাদের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে গবেষকেরা পর্যালোচনা করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, দুই ডোজ টিকা নিয়েও দক্ষিণ আফ্রিকান এই ধরনটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে ফাইজারের ভ্যাকসিন। যদিও এটা এখনও পরিষ্কার নয় যে এর ফলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কতটুকু হারায়।

ইসরায়েলে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ১ শতাংশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকান এই ধরনটি (বি.১.৩৫১) পাওয়া গেছে। কিন্তু রোগীদের মধ্যে যারা এই ভ্যাকসিনের দুই ডোজ গ্রহণ করেছেন তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা ভ্যাকসিন না নেওয়া মানুষের থেকে ৮ গুণ বেশি। এর হার ৫ দশমিক ৪ বনাম শূন্য দশমিক ৭।

আরও পড়ুন: দেশে শনাক্তের ৮১ শতাংশই দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণ

গবেষক দলের প্রধান তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের আদি স্ট্রেন বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যারা দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন তারা এবং যারা ভাকসিন নেননি তারাও একটা অনুপাতে আক্রান্ত। এর মানে ভ্যাকসিনের প্রতিরোধী ক্ষমতাও ভেঙে ফেলতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন।

যদিও গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, গবেষণায় খুবই কম সংখ্যক দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনে আক্রান্তদের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে। কারণ ইসরায়েলে এই ধরনের করোনায় আক্রান্তের খবর খুব একটা নেই। এই ব্যাপারে ফাইজার-বায়োনটেক এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে গত ১ এপ্রিল এই কোম্পানিটি জানায়, তাদের ভ্যাকসিন করোনার বিরুদ্ধে ৯১ শতাংশ কার্যকর। তারা ছয় মাসের উপয়ের টিকার ট্রায়াল চালিয়ে এ মন্তব্য করে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েলের ৯ দশমিক ৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার প্রায় ৫৩ শতাংশ ফাইজার বায়োনটেকের টিকার দুই ডোজই গ্রহণ করেছেন।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়