ঢাকা, সোমবার   ১৮ মে ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩৩

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪৪, ১৮ মে ২০২৬

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের পাহাড়

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ১৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। প্রথম ইনিংসের ৪৬ রানের লিডসহ পাকিস্তানের সামনে এখন জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৪৩৭ রান।

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয়ের বিশ্বরেকর্ড রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের। ফলে সিলেটের উইকেটে ৪৩৭ রান তাড়া করে জয় পাওয়া পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের জন্য প্রায় অসম্ভব এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের স্পিনাররা নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে বল করতে পারলে ঐতিহাসিক জয়ের সুবাস পাচ্ছে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তের দল।

তৃতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ৯০ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। বিরতির পর মাঠে নেমেই ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এই শতকের পথে গড়েছেন জোড়া ইতিহাসও। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৬ হাজার রানের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিক। একই সঙ্গে মোমিনুল হককে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির একক মালিক এখন তিনিই। শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ২৩৩ বলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কায় খেলেন রাজকীয় ১৩৭ রানের ইনিংস।

দিনের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। সকালের সেশনেই খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান অধিনায়ক শান্ত। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার। তবে শান্তর বিদায়ের পর প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশফিক।

দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন ৯২ বলে ৬৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। লিটন ও মেহেদী হাসান মিরাজ (১৯) আউট হওয়ার পর তাইজুল ইসলামকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মুশফিক। তাইজুল ৫১ বলে ২২ রান করে সাজিদ খানের বলে ক্যাচ আউট হন। এরপর দ্রুত রান তুলতে গিয়ে তাসকিন আহমেদ (৬) ও শরিফুল ইসলাম দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ৩৯০ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস।

ইএন/এসএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়