ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৪ মে ২০২৬,   বৈশাখ ৩১ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার

প্রকাশিত: ১৯:২৭, ২০ জুলাই ২০২১
আপডেট: ১৯:৩১, ২০ জুলাই ২০২১

শেষ দিনে পশুর হাটে চাহিদা বেশি মাঝারি গরুর

বৃষ্টির কারণে পশুর হাটে প্রচুর কাদা, এর মধ্যেই চলছে বেচাকেনা।

বৃষ্টির কারণে পশুর হাটে প্রচুর কাদা, এর মধ্যেই চলছে বেচাকেনা।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরে পবিত্র ঈদুল আযহা। শেষ সময়েও মৌলভীবাজারেরে একমাত্র কোরবানির অস্থায়ী পশুর হাটে নেই ক্রেতার ভিড়। ভালো দাম দামের আশায় বিক্রেতারা অপেক্ষায় আছেন, এবারও হয়তো গত বছরের মতো ঈদের আগের দিন দাম বেড়ে যাবে।

শহরের স্টেডিয়াম মাঠে অস্থায়ী গরু হাটে এই বছর গরু থেকে ছাগলের চাহিদা বেশি। মাঝারি গরু ক্রয় করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন ক্রেতারা। তবে বাইরের জেলা থেকে খুব কম গরু এসেছে বলে জানান বিক্রতারা।

বিক্রেতারা জানান, গত রাত গরুর যে দাম ছিল তার তেকে আজ একটু দাম কম। শহরের বাসিন্দারা ঈদের আগের দিন গরু কিনে থাকেন। কিন্তু বাজারে কিছু সময় পর পর বৃষ্টির কারণে ক্রেতা আসছে না। বাজারে কাদার কারণে বাজার ঘুরে দেখতে পারছেন না। আমাদের মত ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

বিক্রেতা রকিব মিয়া জানান, তুলনামূলক আজ গরুর দাম বেশি আছে। কিন্তু বাজারে ক্রেতা কম। বাজারে দেশি গরু কেনাবেচা হচ্ছে বেশি। আমি তিনটি গরু নিয়ে এসেছিলাম গতকাল, একটি গরু ৭৫ হাজারে বিক্রয় করেছি। ২টা বড় গরু বাজার দেখে আজ বিক্রি করে দিবো।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্টেডিয়াম মাঠের পশুরহাট সরেজমিনে ঘুরে এমনটাই জানা যায়।

বিক্রেতা আনা মিয়া বলেন, আমি ২টি গরু নিয়ে এসেছি কিন্তু দাম কম উঠছে। ৭৫ হাজার টাকার গরু ৫০-৫৫ হাজার দাম বলছেন ক্রেতারা। আমার নিজের গরু তাই যা পাই বেচে দিবো। এই কাদার মাঝে দাড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না। 

বাজারের হাসিল রশিদের একজন বলেন, গরু থেকে ছাগলের চাহিদা বেশি। আর গরু ৭০ হাজার থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে কিনেছি। বড় গরু খুব কম বিক্রয় হছে। আশা করা যাচ্ছে রাতে ক্রেতার পরিমাণ বাড়বে। 

মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ রুমেল আহমদ বলেন, প্রতিবছর এই মাঠে পৌরসভার গরুর হাট বসে। এই বছর বাজারের অবস্থা খুব খারাপ তেমন বেচা-কেনা হয় নি। করোনার ভয়ে বাজারে ক্রেতা আসছেন না। বেশি চাহিদা ছোট গরুর। আসলে মানুষের জীবিকার যে পরিস্থিতি আল্লাহ যেন সবাইকে হেফাজত করেন। আমরা যেন আবার পুনরায় আগের জীবনে ফিরে যেতে পারি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি।

আইনিউজ/শাওন/এসডি

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়