মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
আপডেট: ১৮:০৬, ২২ জুলাই ২০২১
এখন তাদের নিজের ঘরেই কুরবানি
হালিমা খাতুন প্রতি কুরবানির ঈদে মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে মাংস বা ঈদের খাবার চেয়ে নিয়ে আসতেন। অনেক সময় মাংস যোগাড় হলেও তেল-মসলা যোগাতেও হিমশিম খেতে হতো। মাংস যোগাড় হলে, তেল-মসলা হতোনা। তেল-মসলা হলে মাংস হতো না। থাকতেন পরের বাড়িতে, কখনও বা পথের ধারে।
এ বছর হালিমা খাতুনের ঈদ এসেছে অন্যরকমভাবে। কিছুদিন আগে পেয়েছেন ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ হিসেবে দুইকক্ষ বিশিষ্ট নিজের পাকাঘর। সাথে দুইশতক জমি। নিজেদের বাড়িতে কুরবানিও হয়েছে এবার।
হালিমা খাতুনের মতো মায়া বেগমেরও এবারের ঈদ কেটেছে নিজের ঘরে, উৎসব-আনন্দে। আর এই উপলক্ষটুকু এনে দিয়েছে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসন এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মোহাজিরাবাদ ও বেগুনবাড়িতে সরকারের দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে গরু কুরবানির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নজরুল ইসলাম বলেন, কুরবানি দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর নামে। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে আমি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৯টি পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করি। দুপুরের খাবার খাই। এ এক অন্যরকম ঈদ উদযাপন। যারা এতোদিন মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে মাংস বা ঈদের খাবার চেয়ে নিয়ে আসতেন। এখন তাঁদের নিজের ঘরেই কুরবানি, নিজের ঘরেই ঈদ-আনন্দ।
ইউএনও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অন্তুর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের স্বাবলম্বী ও কর্মসংস্থানের জন্য জীবনমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সেটা হতে পারে যুব উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি ও পশুপালন, হস্তশিল্প ইত্যাদি। যিনি যে প্রশিক্ষণের উপযোগী তাঁকে সেই প্রশিক্ষণই দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান আইনিউজকে বলেন, আমার ইচ্ছা ছিল শ্রীমঙ্গলের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সাথে একসাথে ঈদ উদযাপন করার। তাঁদের সাথে কুরবানির মাংস দিয়ে খাবার খাওয়ার। কিন্তু কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। তবে তাদের জন্য গরুর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমার পক্ষে শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পাঠিয়েছি। তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সাথে একসাথে ঈদ উদযাপন করেছেন।
উল্লেখ্য মুজিবর্ষ উপলক্ষে মৌলভীবাজারে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে প্রথম পর্যায়ে ১১২৬টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১৫১টি, মোট ২২৭৭টি ঘর বরাদ্ধ দেওয়া হয়। এরমধ্যে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ৩০০টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৫৮টি, মোট ৪৫৮টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে অনেকেই নিজ ঘরে উঠে বসবাস শুরু করেছেন।
- দুলাভাইয়ের ধর্ষণের শিকার শ্যালিকা
- মৌলভীবাজারের রাজনগরে
আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল বিধবা রুবির বিউটি পার্লার - `প্রধানমন্ত্রীর কথা বলে আমাদের ধোকা দেওয়া হচ্ছে`
- রাখাল নৃত্যের মধ্য দিয়ে কমলগঞ্জে রাস উৎসব শুরু
- কমলগঞ্জে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
- মেয়ের বাড়িতে ইফতার: সিলেটি প্রথার বিলুপ্তি চায় নতুন প্রজন্ম
- দেশের চতুর্থ ধনী বিভাগ সিলেট
- অবশেষে ক্লাস করার অনুমতি পেল শ্রীমঙ্গলের শিশু শিক্ষার্থী নাঈম
- শ্রীমঙ্গল টু কাতারে গড়ে তুলেছেন শক্তিশালি নেটওয়ার্ক
মৌলভীবাজারে অনলাইন জুয়ায় রাতারাতি কোটিপতি সাগর - এসএসসির ফলাফলে বিভাগে ৩য় স্থানে মৌলভীবাজার
























