ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,   ভাদ্র ১৯ ১৪৩৩

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২০:৩০, ৯ নভেম্বর ২০২০
আপডেট: ২০:৩১, ৯ নভেম্বর ২০২০

‘আকবর সীমান্ত দিয়ে পালাতে পারে এমন তথ্য আমরা পেয়েছিলাম’

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার

সিলেটের পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনা মামলার প্রধান অভিযুক্ত বরখাস্তকৃত এএসআই আকবর হোসেন ভূইয়াকে সোমবার  কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। এ সময় তিনি জানান, আকবর কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে পারে এমন তথ্য আমরা পেয়েছিলাম। সেই তথ্যে রোববার থেকে কানাইঘাট সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। সকালে সাদা পোশাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এরআগে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছিলো, রায়হান আহমদ মারা যাওয়ার দুদিন পরই আকবর সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ দিয়ে ভারতের মেঘালয়ে পালিয়ে গেছেন।

এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, সে আগে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আবার ফিরে আসতে পারে। তবে আমরা তাকে সীমান্ত এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করেছি।

আকবরকে আটকের কিছু ভিডিওচিত্র সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যায় একদল যুবক আকবরের হাত পা বেঁধে পাহাড়ি ছড়া দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আসছেন। এসময় ওই যুবকরা আকবরকে বিভিন্ন প্রশ্নও করেন। ওই যুবকরা বাংলায় কথা বললেও তাদের শারিরীক গঠন ও কণ্ঠস্বর ছিলো অবাঙালিদের মতো। কানাইঘাট এলাকার স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, ভিডিওতে যে যুবকদের দেখা গেছে তারা খাসিয়া সম্প্রদায়ের এবং যে জায়গার ছবি দেখা গেছে তা ভারতের অভ্যন্তরের।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একটি ভিডিও ছড়িয়েছে বলে শুনেছি। তবে সেটি এখনো আমি দেখিনি। আমরা বাংলাদেশের সীমান্ত থেকেই পুলিশের স্থানীয় কিছু বন্ধুদের সহযোগিতায় আকবরকে গ্রেপ্তার করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, কেউ আইনের উর্ধে নয়। যে কেউ আইন অমান্য করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে। এসআই আকবর জঘন্য কাজ করেছে। তাই তাকেও শাস্তি পেতে হবে।

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সিলেট বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
সর্বশেষ
জনপ্রিয়