ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৬ ১৪২৭

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৬, ২৮ আগস্ট ২০২০

জেনে নিন কাঁকরোল চাষের পদ্ধতি

কাঁকরোল পুষ্টিকর ও জনপ্রিয় সবজি। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, আমিষ, শ্বেতসার ও খনিজ পদার্থ আছে। তাই জমি, বাড়ির আঙিনা, ছাদে বা টবে এ সবজি চাষ করতে পারেন। আসুন জেনে নেই কাঁকরোল চাষের পদ্ধতি-

মাটি

সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ, এঁটেল-দো-আঁশ মাটি চাষের জন্য উত্তম। চাষের জন্য পানি জমে না, উঁচু বা মাঝারি উঁচু জায়গা দরকার।

জমি তৈরি

চাষের জন্য মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। এরপর চাষের জমিতে প্রয়োজনীয় মাপের মাদা তৈরি করতে হবে। প্রত্যেক মাদায় ৪-৫টি বীজ বপণ করতে হবে।

জাত

কাঁকরোলের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এরমধ্যে আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি ও মধুপুরি অন্যতম। এসব জাতের ফলগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু এবং ফলনও বেশি।

সার প্রয়োগ

পরিমাণমতো পচা গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম দিতে হবে। রোপণের সময় অর্ধেক ইউরিয়া, অর্ধেক এমওপি এবং অন্যান্য সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া ও এমওপি সমান ২ কিস্তি করে গাছ বাড়ার সময় ১ বার এবং ফুল আসার পর দিতে হবে।

পরিচর্যা

চারা গজানোর পর আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অবস্থা বুঝে পানি দিতে হবে। তবে জমিতে যেন অতিরিক্ত পানি না জমে। জমলে বের করে দিতে হবে। গাছ ১০-১৫ সেন্টিমিটার লম্বা হলে গোড়ায় বাঁশের কঞ্চি বা কাঠি পুঁতে দিতে হবে। গাছ ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মজবুত মাচা তৈরি করে দিতে হবে।

রোগবালাই

জাবপোকা, মাছিপোকা ও বিছাপোকা গাছের পাতা, ফুল ও ফল নষ্ট করে। কচি কাণ্ডের রস শুষে নেয়। এসব পোকার আক্রমণ হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও চারা ঢলে পড়া, পাউডারি মিলডিউ ও মোজাইক হলে কচি গাছের গোড়া পচে যায় এবং চারা ঢলে পড়ে। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে পুতে বা পুড়িয়ে দিতে হবে।

সংগ্রহ

কাঁকরোল হলুদ সবুজ হলেই সংগ্রহ করা যায়। রোপণের দেড়-দুই মাসের মধ্যে ফুল দিতে শুরু করে। পরাগায়নের ২ সপ্তাহের মধ্যে সংগ্রহের উপযোগী হয়।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়