ঢাকা, সোমবার   ১৬ মে ২০২২,   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৯

তানভীর য়ারহাম

প্রকাশিত: ২০:০৫, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার উপায়- ১০ টি

আপনি কি অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার উপায় খুঁজছেন তাহলে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য। অনলাইনে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউব ভিডিও দেখে সময় নষ্ট না করে। নিজস্ব দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে অনলাইনে ঘরে বসে আয় করা যায়। এটিকে ফ্রিল্যান্সিং (freelancing) বলা হয়। আজকে আমরা অনলাইনে আয় করার উপায় নিয়ে আলোচনা করব।

অনলাইন আয় (online income) শুনে কি ভাবছেন? কিছু একটা করে অনেক টাকা ইনকাম করবেন। না, এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। অনলাইনে ইনকাম করতে হলে দক্ষতার প্রয়োজন। আপনি যত বেশি দক্ষ এবং পরিশ্রমী হবেন, ততো বেশি আয় করতে পারবেন। এমন কি লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিন্তু কিছু অনলাইন ইনকাম সাইট আছে যেগুলো থেকে সামান্য কিছু টাকা ইনকাম করা যায়। এছাড়া অনলাইন ইনকাম অ্যাপ রয়েছে এগুলো কোনো স্থায়ী ইনকাম না। আজকের আর্টিকেলটি পড়ে অনলাইনে আয় করার উপায় জানতে পারবেন। যা থেকে সারাজীবন অনলাইন ইনকাম নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। 

শুধু তাই নয়, আজকে আপনাদের কিছু প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। যেমন : অনলাইনে আয় করতে কি কি জানা প্রয়োজন? অনলাইনে কাজ কোথায় পাবেন? অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়? মোবাইল দিয়ে অনলাইন ইনকাম।

অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়?

অনলাইনে এখন বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়। আসলে আমরা যখন অনলাইনে আয় করার চিন্তা করি তখন এই প্রশ্ন প্রথমে আমাদের মাথায় আসে। অনলাইনে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন। তবে আমরা আজকে ১০টি উল্লেখযোগ্য উপায় বা কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। 

১. গ্রাফিক্স ডিজাইন (Graphics design).
২. ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital marketing).
৩. ব্লগিং (Blogging).
৪. অনলাইন সার্ভে ( Online Survey).
৫. ইউটিউবিং ( Youtubing).
৬. কনটেন্ট রাইটিং( Content Writing).
৭. ভার্চুয়াল সহকারি(Virtual Assistant).
৮. ফরাম পোস্টিং( Forum Posting).
৯. অনলাইনে পড়িয়ে(Online teaching).
১০. ওয়েব ডিজাইন করে ( web design) 

অনলাইনে কাজ কোথায় পাবো?

অনলাইনে কাজ করার জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। আপনি চাইলে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবেন। তাছাড়া অনেক ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে দেশ বিদেশের ক্লিয়েন্ট কাজ দিয়ে থাকে। এসব মার্কেটপ্লেস অনেক নির্ভরযোগ্য। তারা কাজ সাবমিট করার সাথে সাথে payment করে। মার্কেপ্লেস এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল: 
•    Fiverr
•    Freelancer
•    Upwork
•    Guru
•    Belancer (বাংলাদেশিদের জন্য)
•    People per hour

১. গ্ৰাফিক্স ডিজাইন (Graphics design)

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। এই কাজের যেমন জনপ্রিয়তা তেমনি চাহিদা। ভালো করে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখলে ঘরে বসে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই কাজের দেশ বিদেশে অনেক মূল্য রয়েছে। মার্কেপ্লেসে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে নিজের প্রোফাইল খুলে কাজ করতে পারেন। 

কোম্পানির লোগো, ম্যাগাজিন/ বই, বিজ্ঞাপনচিত্র, বিস্কুটের প্যাকেট, বিজনেস কার্ড, বইয়ের মলাট, টেমপ্লেট ও ব্যানার ডিজাইন এসব কাজ করতে পারবেন। সুন্দর করে ডিজাইন করতে পারলে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

২. ডিজিটাল মার্কেটিং 

ডিজিটাল মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিং জগতে এই পথ সবচেয়ে লাভজনক। সহজে কাজ শিখে তাড়াতাড়ি ইনকাম শুরু করা যায়। বর্তমানে আকাশচুম্বী এই কাজের চাহিদা। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং করেও আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে হবে। 

এখন বলি ডিজিটাল মার্কেটিং কী? ডিজিটাল মার্কেটিং হলো অনলাইনে বেচা- কেনা। ফেসবুক খুললেই দেখা যায় যেকোনো জিনিস বিক্রির বিজ্ঞাপন। এটাই মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং। তাছাড়া অনলাইনে খুব সহজে শেখা যায়। চাইলে বিনা খরচেও শিখতে পারবেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং আবার বিভিন্ন ধরণেরযেমন :

মোবাইল মার্কেটিং
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং
কনটেন্ট রাইটিং
গুগল ডিসপ্ল্যে নেটওয়ার্ক
এফিলিয়েট মার্কেটিং
টুইটার মার্কেটিং
ভাইরাল মার্কেটিং
ফেসবুক মার্কেটিং
ইউটিউব মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন  (SEO)
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ( SEM)

৩. ব্লগিং (Blogging)

ব্লগিং করে ইনকামের কথা আমরা সকলেই জানি। ভালো ব্লগার হলে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে ধৈর্যশীল হতে হবে। প্রথম ২-৩ মাস বিনা উপার্জন পরিশ্রম করতে হবে। আর যারা লেখালেখি পছন্দ করেন তাদের জন্য কাজটি। 

ব্লগিং করে কীভাবে আয় করা যায়?

ব্লগিং করে ইনকাম করতে প্রথমে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করতে হবে। ব্লগ সাইট আপনি পেইড এবং ফ্রী দুভাবেই তৈরি করতে পারে পারেন। মাত্র 10 মিনিট ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে একটি ফ্রি ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারবেন। আপনার পছন্দের যে কোন টপিক নিয়ে ব্লগ তৈরী করতে পারে পারেন। ব্লগ তৈরী করা হয়ে যায় নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করতে হবে। 

যত ভাল কনটেন্ট পাবলিশ করবেন ততবেশি ভিজিটর আসবে আপনার ব্লগে। এবং তাড়াতাড়ি গুগল এডসেন্স  অ্যাপ্রুভ পেয়ে যাবেন। আপনি চাইলে ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন ব্লগিং করে। মোবাইল দিয়ে ব্লগ তৈরি ও পরিচালনা করতে পারবেন। প্রতিমাসে ১০০$-১০০০$ ইনকাম করতে পারবেন অ্যাডসেন্স এপ্রুভ হয়ে গেলে। ব্লগের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও আয় করতে পারবেন।

৪. অনলাইন সার্ভে (Online Survey)

অনলাইন সার্ভে বা জরিপ অনলাইন ইনকামের আরো একটি পথ। সার্ভে গুলো মূলত বড় বড় কোম্পানি স্পন্সর করে থাকে। তারা তাদের পণ্যের ফিডব্যাক গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়ার জন্য সার্ভে করিয়ে থাকে। অনেক সময় সরকারিভাবেও সার্ভে করা হয়। অনলাইন সার্ভে করে ভালো টাকা ইনকাম করা যায়। ১-১০ ডলার প্রদান করা হয় প্রতিটি সার্ভের জন্যে।

সতর্কতা 

এ কাজ করতে সর্তকতা অবলম্বন করতে হয়। কারণ ব্যাংকিং তথ্য, ক্রেডিট কার্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য অনেক ক্ষেত্রে দিতে হয়। কাজের শুরুতে যাচাই করে নিতে হয় স্ক্যাম নাকি প্রকৃত কাজ।

আপনাদের কিছু বিশ্বস্ত সার্ভে সাইট এর নাম বলছি

•    One Poll
•    Branded Surveys
•    SwagBucks
•    Toluna
•    InboxPounds

সাইটগুলোতে কাজ করতে প্রথমে একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর আপনার একটি টেস্ট নিবে। আপনি যে সার্ভে গুলোর জন্য কোয়ালিফাই হবেন সে কাজগুলো করতে পারবেন।

৫. ইউটিউবিং

ইউটিউবিং করে অনলাইন ইনকাম এটি সকলেই জানি। অনলাইন ইনকাম এর মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। যারা বলতে কিংবা ভিডিও বানাতে পছন্দ করেন মূলত তাদের জন্য ইউটিউবিং। 

বিশ্বের ১০ টি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এর মধ্যে একটি হচ্ছে Youtube। আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইভ সংখ্যা 1k এবং নুন্যতম ভিউ সংখ্যা চার হাজার ঘন্টা হলে আপনি মনিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। মনিটাইজেশন এপ্রুভ হয়ে গেলে আপনার ইনকাম শুরু। তারপর থেকে প্রতি হাজার ভিউ বা ভিড়ের জন্য টাকা পাবেন। 

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন ইউটিউব ভিডিও দেখে। তবে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে ঠিক করে নিবেন কি ধরনের ভিডিও তৈরি করবেন। এছাড়া মোবাইল দিয়ে চেনেল খোলা ও ভিডিও বানাতে পারবেন।

৬. কনটেন্ট রাইটিং 

কনটেন্ট রাইটিং হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রফেশন। বর্তমান বিশ্বে কনটেন্টের উপর সবকিছু নির্ভরশীল। ভাল কনটেন্ট লিখতে পারলে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। 

বাংলা আর্টিকেল এর ইংরেজির পাশাপাশি অনেক চাহিদা বাড়ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ওয়েবসাইটের মালিক নিয়মিত ব্লক পরিচালনার জন্য কনটেন্ট পাবলিশ করতে পারেননা সময়ের অভাবে। তাই তারা হায়ার করে কনটেন্ট রাইটার। কনটেন্ট রাইটার হতে হলে প্রথম কাজ হলো ভালো করে রাইটিং শিখতে হবে। তারপর আকর্ষণীয়ভাবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল খুলতে হবে। তারপর রাইটিং জবের জন্য এপ্লাই করতে হবে। ফেসবুক গ্রুপে ও সরাসরি ওয়েবসাইটে মালিকের কাছ থেকেও কাজ পেতে পারেন। 

কনটেন্ট রাইটারের আয়

কন্টেন্ট রাইটিং এর আয় নির্ভর করে দক্ষতা ও কাজের উপর। ভালো মানের রাইটার হতে পারলে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কনটেন্ট এর মূল্য নির্ভর করে কনটেন্টের শব্দ সংখ্যার উপর। প্রথম দিকে 1000 শব্দের জন্য 5 ডলার ইনকাম করতে পারবেন। বাংলাদেশের ভালো মানের রাইটারের খুবই অভাব। তাই মানসম্মত কনটেন্ট লিখতে পারলে আমি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এমনকি ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে কাজ করে আয় করতে পারবেন।

৭. ভার্চুয়াল সহকারী
অনলাইনে কাজ করার আরো একটি লাভজনক পথ হচ্ছে ভার্চুয়াল সরকারি। ভার্চুয়াল সহকারি মানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা। এ কাজগুলোও মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। কিন্তু এই কাজের যেমন চাহিদা বেশ তেমনি ক্ষেত্র বড়। নিজের যেকোনো দক্ষতার জন্য বা ভার্চুয়াল সহকারি হিসেবে কাজ করা যায়। অর্থাৎ অনলাইন ভিত্তিক সকল কাজ। যেমন কনটেন্ট রাইটিং, ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, ওয়েব ডেভলপার, অনলাইন সার্ভে, অনলাইন টিচিং ইত্যাদি। এই কাজ করে মাসে আপনি সবচেয়ে বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি ঘরে বসে বিষয়ে যে কোন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিতে চাকরি করতে পারবেন। তবে এই কাজে আপনাকে অনেক বেশি দক্ষ হতে হবে। মূলত অনলাইন ইনকাম নির্ভর করে আপনার দক্ষতার উপর। 

৮. ফোরাম পোস্টিং

অনলাইন জগতে আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায় ফোরাম পোস্টিং। ফোরাম পোস্টিং মানে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রশ্ন করা। অর্থাৎ শুধু আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে। ফোরাম পোস্টিং কাজের জন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সাইট হল: স্টাক ওভারফ্লো, রেডিডিট ও কোরা। মার্কেটপ্লেসে ফোরাম পোস্টিং লিখে সার্চ দিলে অনেক কাজ দেখতে পাবেন। তাই ফোরাম পোস্টিং করেও অনলাইন থেকে ঘরে বসে আয় করতে পারবেন।

৯. অনলাইনে পড়িয়ে  (Online Teaching)

ডিজিটাল যুগে অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার আরো একটি মাধ্যম হচ্ছে অনলাইনে পড়িয়ে (online teaching). বর্তমানে করোনা ক্রাইসিস এর কারনে অনলাইন টিচার এর চাহিদা বেড়েই চলছে। যদি আপনি কোন বিষয়ে ভালো পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে অনলাইন টিচিং করে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনলাইনে জুম অ্যাপ এর মাধ্যমে ক্লাস নিতে পারবেন। টেন মিনিট স্কুলের নাম হয়ত শুনেছেন, এটি হচ্ছে বাংলাদেশ সবচেয়ে জনপ্রিয় এডুকেশনাল প্ল্যাটফর্ম। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে অনলাইন টিচিং এর সুযোগ রয়েছে। ওইসব ওয়েবসাইটে আপনার দক্ষতার পরীক্ষা দিয়ে নির্বাচিত হলে কাজ শুরু করতে পারবেন। অনলাইন টিচিং এর মাধ্যমে দেশ বিদেশে স্টুডেন্ট পড়িয়ে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

তাছাড়া নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল খুলে সেখানে বিভিন্ন টপিকের উপরে ভিডিও তৈরি করে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এভাবেই আপনি আত্মনিয়োগ করতে পারবেন অনলাইন টিচার হিসেবে। দিন দিন এই কাজের চাহিদা বেড়েই চলছে। 

১০. ওয়েব ডিজাইন

অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন। ফ্রীলান্সিং জগতের শুরু থেকেই এই কাজের চাহিদা অনেক বেশি। তবে এই কাজ করে ভালো টাকা ইনকাম করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ভালো মানের ডিজাইনার হতে হবে। কারণ এই কাজের প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। তবে এই কাজ করে প্রতিমাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন যদি ভাল মানের ওয়েব ডিজাইনার হয়ে থাকেন। 

অনলাইন বা অফলাইনে বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারবেন। তাছাড়া ফ্রিতে অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে শিখতে পারবেন ওয়েব ডিজাইনিং। কাজ শেখা হয়ে গেলে মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলে কাজে বিড করতে হবে। আপনি যদি ভাল মানের কাজের পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন তাহলে কাজ পেতে সমস্যা হবে না। এভাবে আপনি ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেন। 

এই কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপায় ছড়াও আরো কয়েকটি উপায় রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে অনলাইনে ঘরে বসে আয় করা যায়। যেমন :

•    অনলাইনে ছবি বিক্রি।
•    অনলাইন রেসেলিং।
•    পিটিসি।
•    ডাটা এন্ট্রি।
•    ভিডিও এডিটিং।
•    ই কমার্স ব্যবসা।
•    অনুবাদ করে।

শেষ বার্তা
আজ আমরা জেনে নিলাম, অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার সবচেয়ে সহজ উপায়গুলো সম্পর্কে। ঘরে বসে অনলাইনে ধৈর্য সহকারে কাজ করতে পারলে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আমাদের আজকের আর্টিকেলটি পড়ে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন কিভাবে অনলাইনে আয় করা যায়? তাহলে আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় নির্বাচন করে কোন কোর্স কিংবা অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি করে শিখে ফেলুন। আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না। 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়