ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫১, ২৫ এপ্রিল ২০২১
আপডেট: ২১:২৭, ২৫ এপ্রিল ২০২১

তিন খণ্ডে টুকরো হয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়ান সাবমেরিনটি

কেআরআই নাংগালা-৪০২

কেআরআই নাংগালা-৪০২

ইন্দোনেশিয়ার কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটি তিনটি খণ্ডে টুকরো হয়ে যাওয়া অবস্থায় সমুদ্রের তলায় পাওয়া গেছে। ফলে সাবমেরিনটির  ৫৩ জন আরোহী নিশ্চিতভাবে মারা গেছেন। রোববার দেশটির সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেন, সাবমেরিনটির কাছ থেকে তারা বার্তা পেয়েছেন এবং এটি সমুদ্রের ৮৫০ মিটার গভীরে ডুবে গেছে।

সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ধার নেওয়া একটি উদ্ধারকারী জাহাজের সাহায্যে ছবি তুলে তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

স্ক্যান থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাবমেরিনটি সমুদ্রের ৮৫০ মিটার গভীরে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। সচল অবস্থায় এত গভীরে যাওয়ার সক্ষমতা এই সাবমেরিনের নেই।

ইন্দোনেশিয়ায় নৌবাহিনীর প্রধান ইয়ুডো মারগোনো বলেন, যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, স্ক্যান করে দেখা গেছে সাবমেরিনটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, তার চেয়ে অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে। এ কারণেই তারা সাবমেরিনটি ডুবে যাওয়ার কথা ঘোষণা করছেন।

এর আগে শনিবার দেশটির নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সমুদ্রে ছয়টি ধ্বংসাবশেষের টুকরা পাওয়া গেছে। যা বুধবার বালি সাগরে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।....বিস্তারিত

বুধবার ভোর রাতে জার্মানির তৈরি কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটি বালি উপকূল থেকে প্রায় ৬০ মাইল (৯৬ কিমি) দূরের পানিতে নিখোঁজ হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাবমেরিনটি বালি দ্বীপের উত্তরে একটি প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু এরপর থেকে সেটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।....বিস্তারিত

সাবমেরিনটিতে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হলে সর্বোচ্চ তিন দিন অক্সিজেন থাকার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করতে না পারায় ৫৩ জন আরোহীর সকলেই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হয়েছিল।.... বিস্তারিত

নিখোঁজ সাবমেরিনের খোঁজে জোরালো অভিযান শুরু করে ইন্দোনেশিয়া। এতে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় প্রতিবেশী সিঙ্গাপুর, ভারত, মালয়েশিয়াও।

৪০ বছরের পুরোনো সাবমেরিনটি কীভাবে ডুবতে পারে তা নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি ইন্দোনেশীয় কর্তৃপক্ষ। সেটি অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই হয়ে গিয়েছিল কি না সে প্রশ্নেরও জবাব পাওয়া যায়নি।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়