ঢাকা, শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬,   আষাঢ় ২০ ১৪৩৩

আইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৩, ২৫ জুন ২০২২

স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে মাওয়া থেকে জাজিরা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার

সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার

বহু অপেক্ষা আর কর্মযজ্ঞের পর উদ্বোধন হলো পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য যেন খোলে গিয়েছে এক স্বপের দ্বার। সকাল ১১টা ৫৮ মিনিটে সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর টুল বক্সে টুল প্রদান করেন তিনি। উদ্বোধনের পর স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে শরীয়তপুরের জাজিরার পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানেও পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচনের পাশাপাশি মোনাজাতে অংশ নেবেন তিনি।

জাজিরা প্রান্তে গিয়ে ফলক উন্মোচন ও মোনাজাতের পর মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানেও জনসভায় বক্তব্য দিবেন তিনি। উদ্বোধন করবেন জাজিরা প্রান্তের ফলক।

পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

জাজিরার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও স্বপ্নের পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি এসে গাড়ি বহর থেকে নেমে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে কিছুসময় পদ্মা ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী। এসময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কিছু বিমান বহর স্মোক পাস প্রদর্শন ও ফ্লাই পাস্ট এবং বিভিন্ন রকম ডিসপ্লে প্রদর্শন করে।

এর আগে হেলিকপ্টার যোগে সকাল ১০টায় মুন্সিগঞ্জের দোগাছি পদ্মা সেতু সার্ভিস এরিয়া-১ এ পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে পদ্মা সেতুর উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত সুধীসমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। সমাবেশে অংশ নেয় সাড়ে ৩ হাজার সুধীজন। যাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিশিষ্ট নাগরিক, সাংবাদিকরা। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হবে। ২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।

পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

আইনিউজ/এইচএ

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়