নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১৩:৫৩, ২৮ জানুয়ারি ২০২১
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের একাডেমির গড়তে পেরেছে বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এমন একটি একাডেমির যা সারা বিশ্বের মানুষ দেখবে। সে স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে সরকার।
আজ (বৃহস্পতিবার) সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের ‘ডিএসসিএসসি ২০২০-২০২১’ কোর্সের স্নাতক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
ডিএসসিএসসি ২০২০-২১ গ্রাজুয়েট অফিসারদের মাঝে সনদপত্র বিতরণের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কোর্স সম্পন্নকারী দেশি বিদেশি ২২৫জন কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানান। প্রতিষ্ঠানের গ্র্যাজুয়েটরা তাদের জ্ঞান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন সরকার প্রধান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলনে, করোনা মহামারি সারাবিশ্বের সব কিছুতেই স্থবিরতা এনে দিয়েছে। কিন্তু উন্নয়ন কার্যক্রম যেনো অব্যাহত থাকে সে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা যেন মিয়ানমারে ফেরত যেতে পারে সে লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তিনি জানান, এ বছরই দেশের মানুষকে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক ঐক্য নিয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদসহ নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা বিপন্ন মানবতার ডাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। মিয়ানমার থেকে আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা তাদেরও আশ্রয় দিয়েছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের যে নাগরিকদের আশ্রয়দান এবং তাদের নিজ দেশে যেন ফিরে যেতে পারে, তার ব্যবস্থার জন্য আমরা কিন্তু কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, আলোচনার মাধ্যমে তারা তাদের নাগরিকদের যেন ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একটা বন্ধুসুলভ মনোভাব নিয়েই আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে যারা অন্যায় করছেন, নিশ্চই আমরা সেটা বলব, কিন্তু তারপরও তাদের নাগরিকদের তারা ফেরত নেবে, সেটা আমরা চাই। আমরা এতগুলো বাস্তুচূত মানুষ যারা নির্যাতিত হয়েছিল, তাদের আশ্রয় দিয়েছি, এ জন্য সারাবিশ্ব বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানাচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, নানা প্রতিকূলতা ও ঝুঁকিসহ করোনা মহামারির মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বছর ২০২১ সালে পদার্পণ করেছি। ২০২০ সালে আমরা জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করেছি, ২০২১ সাল হলো আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের বছর। করোনাভাইরাস সারাবিশ্বের সবকিছু স্তিমিত করে রেখেছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন থেকে শুরু করে সব কিছুতেই একটা স্থবিরতা নেমে এসেছে। এর মধ্যেও দেশের মানুষের স্বাস্থ্যগত বিষয়ের পাশাপাশি আমরা দেশের অর্থনীতিসহ সব উন্নয়ন কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে, তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সফলতা অর্জন করেছি। এরই ধারাবাহিকতায়, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ নিজস্ব উদ্ভাবিত উপায়ে অত্যন্ত অল্প সময়ে এবং কম খরচে নিরাপদ ইলিয়নি সলিউশন স্থাপন করে নিজস্ব সার্ভার ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন। ফলে এক দিনের জন্যেও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি। সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়। তাই এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব সদস্যদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের প্রাচীনতম ট্রাই সার্ভিস প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রথম বছরে ছিল মাত্র ৩০ জন এবং আজ তা বেড়ে ২২৫ জনে উন্নীত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩টি বন্ধুপ্রতীম দেশের এক হাজার ২০৮ জন অফিসার এই কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেছেন। তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এই কোর্সেও ১৬টি বন্ধুপ্রতীম দেশের ৪৩ জন বিদেশি কর্মকর্তাসহ আজ ২২৫ জন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক























