নিজস্ব প্রতিবেদক
টিকা নিয়ে ‘ভয়’ কেটে গেছে: স্বাস্থ্য সচিব
সংগৃহীত ছবি
স্বাস্থ্য সচিব মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে প্রথম দিকে কারো কারো মধ্যে ভয় থাকলেও এখন তা কেটে গেছে। যতটা ভয়ভীতি ছিল, এখন একেবারেই নাই। টিকাগ্রহণে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টিকা কেন্দ্র ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
করোনাভাইরাসের গণ টিকাদান শুরুর পর তৃতীয় দিনের মত টিকা দেওয়া চলছে সারা দেশে। মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেলের টিকাকেন্দ্রে আগের দুদিনের চেয়ে ভিড় বেশি দেখা গেছে। তাদের মধ্যে বয়স্ক নাগরিকরাও রয়েছেন।
আবদুল মান্নান বলেন, আপনারা (সাংবাদিক) নিজেরাই দেখছেন, আমার বলার কিছু নাই। মানুষের লাইন আছে, একের পর এক আসছে এবং টিকা দেওয়ার কোনো ঝামেলা নাই। অনেকের কাছে জানতে চেয়েছি, কিন্তু সবাই জানিয়েছেন, টিকা নেওয়ার পর কোনো অস্বস্তি তারা বোধ করছেন না।
সামনের দিনগুলোতে আরো বেশি মানুষ আসবে এবং সামগ্রিক পরিবেশ আরো বেশি ‘উৎসবমুখর’ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সচিব।
এরইমধ্যে ছয় লাখের বেশি মানুষ টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা চাইছি মানুষ নিরাপদে এবং আনন্দের সঙ্গে টিকা নেবে। ভিড় করার দরকার নেই। আমাদের সমস্ত সাপোর্ট এখানে দেওয়া আছে।
সবাইকে নিবন্ধন করে টিকা নিতে আসার আহ্বান জানিয়ে মান্নান বলেন, স্পটেও রেজিস্ট্রেশন করছি, কিন্তু কোনটা করছি? বয়ষ্ক মানুষ চলে এসেছেন, উনার রেজিস্ট্রেশন করে দিচ্ছি।
সবাইকে আশ্বস্ত করে সচিব বলেন, অস্থিরতা কোনো কারণ নেই। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে। আরো ভ্যাকসিন আমরা পাচ্ছি বিভিন্ন সোর্স থেকে।
বাংলাদেশে দেওয়া হচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনাভাইরাসের টিকা। সবাইকে এ টিকার দুটি ডোজ নিতে হবে।
সরকারের কেনা এ ভ্যাকসিনের তিন কোটি ডোজের মধ্যে প্রথম ৫০ লাখ ডোজ গত মাসে হাতে আসার পর প্রধানমন্ত্রী টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এছাড়া ভারতের উপহার হিসেবে আরও ২০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ডের টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্য সচিব জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্যাভির নেতৃত্বাধীন প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকেও বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের টিকা পাবে। এছাড়া ফাইজারের কিছু টিকাও আসবে।
আর সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রতি মাসে যে ৫০ লাখ ডোজ পাওয়ার কথা, তার ফেব্রুয়ারির চালান আসার তারিখ চূড়ান্ত না হলেও সময়মতই তা পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।
আবদুল মান্নান বলছেন, সব মিলিয়ে দেশে টিকা নিয়ে কোনো সঙ্কট ‘হবে না’ বলেই সরকার আশা করছে। যতদিন জনগণ টিকা নিতে চাইবে, টিকার মূল্য যাই হোক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সুরক্ষা দিতে মানসিকভাবে ও আর্থিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন।
যে টিকা বাংলাদেশে দেওয়া হচ্ছে, তার প্রতিটি ভায়ালে থাকে ১০টি ডোজ। অর্থাৎ, প্রতিটি ভায়াল খোলার পর দশজনকে টিকা দেওয়া যায়।
এ ক্ষেত্রে কোনো অপচয় হওয়ার সুযোগ থাকছে কি না- সেই প্রশ্নে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, যে কোনো ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ ‘ওয়াস্টেজ ধরেই হিসাবে করা হয়। তারপরও আমরা বলেছি দশের গুণিতক লোক না আসা পর্যন্ত ভায়াল না খুলতে। তবে আমরা হিসাবে করে দেখেছি, অপচয় দশ শতাংশ এখনো হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক জানান, এ কেন্দ্রে সোমবার ৫০০ জনকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরের আগেই সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে।
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক























