ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট ২০২৬,   ভাদ্র ১১ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪:২৯, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
আপডেট: ১৪:৫৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

মনে পড়ে চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির কথা?

চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির খণ্ডচিত্র

চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির খণ্ডচিত্র

মনে পড়ে চকবাজারের চুড়িহাট্টার কথা? ২০১৯ সালে চুড়িহাট্টায় ঘটা অগ্নিকাণ্ড স্তব্ধ করেছিল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে। আজ শনিবার সেই ঘটনার দুই বছর পূর্ণ হলো।

চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৭১ জন। যাদের মধ্য তিনজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। চকবাজার এলাকার স্থানীয় চুড়িহাট্টা মসজিদ সংলগ্ন আসগর লেন, নবকুমার দত্ত রোড এবং হায়দার বক্স লেনের ত্রিমুখী মিলনস্থলে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

ওই ট্র্যাজেডির দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও আগুনের সঠিক উৎপত্তিস্থল ও কারণ জানা যায়নি। মামলার তদন্তও আজও শেষ হয়নি।

সেদিনের সেই আগুনে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় স্থানীয় রাজ্জাক ভবন ও ওয়াহিদ ম্যানশন। আরও অন্তত তিনটি ভবনের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় খাবার হোটেল, দোকানের মতো বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আগুন লাগার পর ঢাকা ও এর আশেপাশের ১৩টি ফায়ার স্টেশনের অন্তত ৩৭টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা।

ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যাদি এবং প্লাস্টিক পণ্য আগুনের শিখা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। সেদিন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ৬৭। পরে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭১ জনে।

সেদিনের ঘটনা নিয়ে পুলিশের ভাষ্য, চুড়িহাট্টার হাজি ওয়াহেদ ম্যানশন ভাড়া নেয়ার সময় ব্যবসায়ীরা আসল নাম-ঠিকানা ব্যবহার করেনি। সঠিক পরিচয় না পাওয়ায় তদন্ত শেষ হচ্ছে না। এজন্য অভিযোগপত্রও জমা দেয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, পুরান ঢাকার নিমতলীতে ২০১০ সালের ৩ জুন কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রাণ হারান ১২৩ জন। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পুরান ঢাকার এসব কেমিক্যাল কারখানা দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু তারই ৯ বছর পর চুড়িহাট্টায় ঘটে এমন ঘটনা।

এখনও রাজধানীর অনেক জায়গায় ভয়ংকর দাহ্য এসব কারখানা রয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে বাজি রেখে বসবাস করছেন পুরান ঢাকাবাসী। তবে আশা একটাই, আর জেনো এমন ঘটনা না দেখতে হয় দেশবাসীকে।

আইনিউজ/এসডিপি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়