নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে একটি মহল
ফাইল ছবি
দেশকে অস্থিতিশীল এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলার লক্ষ্যে চিহ্নিত একটি মহল ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
বৃহ্স্পতিবার রাতে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
ডা. দীপু মনি বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলার লক্ষ্যে চিহ্নিত একটি মহলের বারবার অপচেষ্টা আমরা দেখছি। তারা কখনো ভাস্কর্যের নামে আন্দোলন করছে, কখনো বিদেশি সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য এবং সাজানো নাটক প্রচার করছে। সবকিছুতে বিফল হয়ে তারাই এখন ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
গণতন্ত্রের আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অনন্য ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের হাতেই আমরা আমাদের ভাষা আন্দোলন পেয়েছি, ভাষার অধিকার পেয়েছি, স্বাধীনতা পেয়েছি। আজকে যখন বৈশ্বিক সংকট চলছে, সেই সময়ে শিক্ষাবান্ধব সরকার, বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সব উপাচার্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, একান্তই মানবিক কারণে সাত কলেজের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কারণ তারা তিন বছর পিছিয়ে আছে। ফলে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তাদের পরীক্ষা দেবার (যেগুলো চলছিল, যেগুলো ঘোষিত আছে) এই সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশে আমাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য মহোদয় এখানে আছেন। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ তারা সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত করেছেন। ফলে আজকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, কোনো ধরনের আন্দোলনে আপনারা যাবেন না এবং তিন মাস পর পরীক্ষা দেবেন।
৪৩তম বিসিএস প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৪৩তম বিসিএসের আবেদনের একটা তারিখ দেয়া আছে। পরীক্ষারও একটা নির্ধারিত তারিখ ছিল। এখানে সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয়ও আছেন। ওনাদের সঙ্গেও আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি। ৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময়, পরীক্ষার সময় এবং এই কতদিন পরীক্ষা পেছানোর কারণে কারও যদি বয়সের সমস্যাও দেখা দেয়, সেই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থাটা সরকার করবে। কাজেই এ তিন মাস স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য যদি পরীক্ষা না হয়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য, সার্বিক নিরাপদের জন্য আমি মনে করি, বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিষয়টা বুঝবেন।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর স্বার্থ বুঝেন, জাতীয় স্বার্থ বুঝেন। তাই সবাই বিষয়টিকে মেনে নেবেন। সাময়িক অসুবিধা হয়তো অনেকেরই হবে। অনেকে টিউশনি করে পড়াশোনা করেন, অনেকে নিজ অর্থায়নে হলের বাইরে মেস ভাড়া করে আছেন, অনেকেই কষ্টে আছেন। আমরা তাদের এই কষ্টগুলো বুঝি।
বৃহত্তর স্বার্থে এখন আন্দোলন না করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্য যেন ম্লান না হয়ে যায়; তাই একটু কষ্ট হলেও সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।
আইনিউজ/আরআর
- বেইলি রোডে আগুন : ৩ জন আটক
- এই নৌকা নূহ নবীর নৌকা: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী
- 'জাতীয় মুক্তি মঞ্চ' গঠনের ঘোষণা
- কাল থেকে যেসব শাখায় পাওয়া যাবে নতুন টাকার নোট
- এক বছরেই শক্তি, ক্ষিপ্রতা জৌলুস হারিয়ে 'হীরা' এখন বৃদ্ধ মৃত্যুপথযাত্রী
- ওয়াহিদ সরদার: গাছ বাঁচাতে লড়ে যাওয়া এক সৈনিক
- ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ইতিকথা (প্রথম পর্ব)
- এবার ভাইরাস বিরোধী মাস্ক বানিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলো বাংলাদেশ
- মায়েরখাবারের জন্য ভিক্ষা করছে শিশু
- ২৫ কেজি স্বর্ণ বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক























