ঢাকা, সোমবার   ২৯ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রাহায়ণ ১৫ ১৪২৮

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:৫১, ১৫ অক্টোবর ২০২১

পৌনে চার বছরে দেশ কেঁপেছে ৪৭ বার, বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কা

গত পৌনে চার বছরে ভূমিকম্পে ৪৭ বার কেঁপেছে বাংলাদেশ। বারবার ভূমিকম্প হওয়ার অর্থ ফল্ট লাইনগুলো সক্রিয় আছে। এমন অবস্থায় দেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়েছে। ছোট ও মাঝারি মাত্রার এসব ভূমিকম্পের উৎসস্থলের ২০টি ছিল দেশের ভেতর, বাকি ২৭টি ছিল সীমান্ত এলাকাসহ আশপাশের দেশগুলো।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৭ বার দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ৪ বার, ২০১৯ সালে ৭ বার, ২০২০ সালে ১৫ বার এবং চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ২১ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

সর্বশেষ ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ২৮ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশ। রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল মিয়ানমারের মানওয়া। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১১৪ কিলোমিটার গভীরে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারি বলেন, গত ১০০ বছরে আমাদের দেশে বড় কোনো ভূমিকম্প হয়নি। তবে গত দু-তিন বছরে ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়েছে। শক্তি সঞ্চয়ের ফলে সামনে বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা আছে।

বাংলাদেশের অবস্থান ইন্দো–অস্ট্রেলিয়ান প্লেটে। আর উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে ইউরোশিয়ান প্লেট। সর্বশেষ যে ভূমিকম্প হয়েছে, সেটা বার্মা মাইক্রো প্লেটে। সেখানে ‘সেগিং ফল্ট’ নামে একটা বড় ফল্ট লাইন আছে। ঠিক ওই ফল্টেই ভূমিকম্প হয়েছে। এই তিন প্লেটের বাউন্ডারি লাইনের কাছে বাংলাদেশ। সে জন্য বাংলাদেশে ভূমিকম্পমণ্ডলের আশপাশে পড়েছে। দুটি প্লেটের মাঝে থাকা ফাটলকে ফল্ট লাইন বলা হয়।

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়