ঢাকা, শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬,   আষাঢ় ১৩ ১৪৩৩

আই নিউজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:৫৬, ১২ নভেম্বর ২০২৩

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ১৩০ কারখানা 

বন্ধ কারখানার বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন কিছু শ্রমিক। ছবি- সংগৃহীত

বন্ধ কারখানার বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন কিছু শ্রমিক। ছবি- সংগৃহীত

মালিকপক্ষের প্রস্তাবিত মজুরি প্রত্যাখ্যান করে নতুন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আজও রাজধানীতে আন্দোলনে নেমেছেন পোশাক শ্রমিকরা। একসময় পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘিরে সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় সাভার ও ধামরাইয়ে ১৩০টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এসব কারখানা না খোলার ইঙ্গিত দিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। 

এদিকে, আজও রাজধানীর মিরপুর ১০ ও ১৩ এলাকার রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে পোশাক কারখানার কয়েকশ শ্রমিক। 

রোববার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শ্রমিকেরা মিরপুর ১৩ নম্বর সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তবে সাড়ে ১০টার দিকে তারা রাস্তা থেকে সরে যান।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুকুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিরপুর-১৩ এলাকার সড়ক অবরোধ করলেও পরে তারা মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় চলে যান।

শ্রমিকেরা বলছেন, ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর ঘোষণায় তারা সন্তুষ্ট নন। রোববার কারখানায় কাজে যোগ দিতে গিয়ে দেখেন, সবার বেতন সমান হারে বাড়েনি। সরকার ৫৬ শতাংশ বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। তবে যারা অভিজ্ঞ শ্রমিক তাদের বেতন বেড়েছে ২০-৩০ শতাংশ। এ কারণে তারা আবারও বিক্ষোভ করছেন।

অপরদিকে, গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ-ভাঙচুরের ঘটনায় এ পর্যন্ত ২২টি মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫-১৬ হাজার জনকে আসামী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে গত ২৩ অক্টোবর থেকে শ্রমিকদের শুরু করা আন্দোলনের মধ্যে গত মঙ্গলবার পোশাক খাতের জন্য সরকার গঠিত মজুরি বোর্ড ১২ হাজার ৫০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে। তবে নতুন বেতনকাঠামো প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শ্রমিকেরা। তারা ন্যূনতম মজুরি ২৩-২৫ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু মালিকপক্ষের দেওয়া ১২ হাজার ৫০০ টাকার প্রস্তাবই চূড়ান্ত করে শ্রম মন্ত্রণালয়।

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়