ঢাকা, শনিবার   ১৩ জুন ২০২৬,   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭:৫০, ৭ আগস্ট ২০২১
আপডেট: ১৮:২৬, ৭ আগস্ট ২০২১

রূপগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

আরও ২১ মরদেহ হস্তান্তর, স্বজনদের কান্নায় ভারী মর্গের বাতাস

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজের কারখানায় আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া ২১ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় স্বজনদের কান্না, আহাজারি আর আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠে ঢামেক মর্গ এলাকা।

শনিবার (৭ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ও সিআইডির তত্ত্বাবধানে মরদেহগুলো স্বজনদের হাতে তুলে দেয়া হয়। মরদেহ বুঝিয়ে দেয়ার আগে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে দাফনের জন্য ২৫ হাজার টাকাসহ মরদেহগুলো স্বজনদের বুঝিয়ে দেয়া হয়।

যে ২১ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে; তারা হলেন- কিশোরগঞ্জের মাহমুদা আক্তার, নেত্রকোনার মোছা. শান্তা মনি, রাজশাহীর মাহবুবুর রহমান, জামালপুরেরে জিহাদ রানা, কিশোরগঞ্জের রহিমা আক্তার, মিনা খাতুন, আমেনা আক্তার, মোছা. রাবেয়া আক্তার, মোছা. রহিমা আক্তার, মো. আকাশ মিয়া, কম্পা রানী, মোছা. সেলিনা আক্তার, মোছা. তাসলিমা আক্তার, মোছা. ফাকিমা আক্তার, ভোলার মো. নোমান, শামীম হোসেন, মো.হাসনাইন, নোয়াখালীর নাজমুল হোসেন, নীলফামারীর স্বপন মিয়া, হবিগঞ্জের শেফালী রাণি সরকার, আমৃতা বেগম।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ দাফনের জন্য প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। আজকের ২১টিসহ মোট ৪৫টি মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে সিআইডির ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত মোট ৪৫ জনের মধ্যে ৪ আগস্ট ২৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহত ৪৮ জনের মধ্যে বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় সেগুলো আপাতত ঢামেক মর্গেই থাকবে।

গত ৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত সেজান জুসের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৪৮টি মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

আইনিউজ/এসডিপি 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়