ঢাকা, বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬,   আষাঢ় ২৪ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:১৯, ৬ নভেম্বর ২০২১
আপডেট: ১৩:২৪, ৬ নভেম্বর ২০২১

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নেতারা

‘সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে  মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতারা।

ডিজেল-কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির কারণে সারাদেশে দ্বিতীয় দিনেও চলছে পরিবহন ধর্মঘট। বাস-ট্রাক সমিতিগুলোর এ ধর্মঘটে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষরা, অচল প্রায় সারাদেশ। এ ধর্মঘট প্রত্যাহার করাতে মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তবে তাতেও পণ্য পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করেননি ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতারা।

শনিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ধর্মঘট ইস্যুতে আলোচনা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় যান মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতারা। বৈঠক শেষে বের হয়ে সমিতির মহাসচিব চৌধুরী জাফর আহম্মদ গণমাধ্যমকে বলেন, যৌক্তিক সমাধান পেলে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে।

গত বুধবার হঠাৎ করেই ডিজেল ও কেরোসিনের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে ৬৫ থেকে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, যা বুধবার রাত থেকে কার্যকর হয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে পণ্য পরিবহন বন্ধের ডাক দিয়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেধে দেয় সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-মালিকরা। পরে সারাদেশে বাস ভাড়া বাড়ানোর দাবিতেও ধর্মঘটও শুরু হয়। এ নিয়ে শুক্রবার থেকে সড়কে বের হওয়া সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে আছেন।

অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনেও সারাদেশে দূরপাল্লার বাস ও পণ্যবাহী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ যাত্রীদের। যানবাহন না পেয়ে নিরুপায় হয়ে পড়েছেন তারা।

শুক্রবারের মতো শনিবারও সারাদেশে বাস বন্ধ আছে। তবে ব্যক্তিগত গাড়ি ও অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে রাস্তায়। রাজধানীর প্রতিটি মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় থাকা অসংখ্য মানুষের ভিড় করতে দেখা গেছে। বিআরটিসি বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে তাদের।

আগের দিনের মত আজও ঢাকায় বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে বাস ছেড়েছে। একটি বাস এলেই তাতে হুড়মুড়িয়ে উঠছেন যাত্রীরা। অনেকে বাসে উঠতে না পেরে বিকল্প উপায়ে তাদের কর্মস্থলে রওনা হয়েছেন। এজন্য রিকশা ও অটোরিকশায় কয়েকগুণ ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে।

শনিবার সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটারসাইকেল আর রিকশা ছাড়া তেমন কোনো যানবাহন চোখে পড়েনি। বাস না থাকার সুযোগে অটোরিকশা এবং রিকশা চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেছেন। পথে বিআরটিসির বাস চললেও সেগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। অনেক যাত্রীকে ঝুঁকি নিয়ে বাসের দরজায় ঝুলতে দেখা গেছে।

এদিকে নৌ-পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা লঞ্চ ভাড়া বাড়াতে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছে। তারা বলছেন, নৌ পরিবহনের ভাড়া নিয়ে সঠিক ঘোষণা না আসলে বন্ধ হবে লঞ্চও।

আইনিউজ/এসডি

Green Tea
সর্বশেষ