ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৩ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ৯ ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:২৯, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

বাসচাপায় নিহত মাইনুদ্দিনের ভাইকে চাকরি দিলো ডিএনসিসি

গত ২৯ নভেম্বর রামপুরায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে নিহত হয় মাইনুদ্দিন নামের এক ছেলে। রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর বাণিজ্য শাখা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় সে। পড়াশোনা শেষ করে হতে চেয়েছিল প্রশাসনের বড় কর্মকর্তা।কিন্তু তার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমাতে হয় তাকে। 

সেই মাইনুদ্দিনের ভাই মনির হোসেনকে চাকরি দিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। বুধবার (২২ ডিসেম্বর) গুলশানের শাহাবুদ্দিন পার্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

এসময় মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশনের কাজ হলো প্রতিটি মানুষের অধিকার রক্ষা করা। মাইনুলের মায়ের ইচ্ছা ছিল তার ছেলে একটা সরকারি চাকরি পাক। আমরা মাইনুলের মায়ের ইচ্ছা পূরণের চেষ্টা করেছি। আমরা তার ভাইকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

আরও পড়ুন- ‘বাবা, রেজাল্টের পর আমারে কিন্তু ভালো একটা কলেজে ভর্তি করাইতে হইব’

অনুষ্ঠান শেষে মাইনুলের ভাই মনির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি চাকরির জন্য আমি আগে থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, পরীক্ষা দিচ্ছি। কোথাও হচ্ছে না। পরে মেয়র সাহেব যখন আমাদের বাড়িতে গেলেন, তখন আমার মাকে তিনি আশ্বাস দেন আমাকে একটা চাকরি দেওয়া হবে। অস্থায়ীভাবে নিয়োগ পেলেও আমি মেয়র সাহেবকে ধন্যবাদ জানাই। আশাকরি আমার চাকরিটা যেন পরবর্তীতে স্থায়ী করা হয়।

মাইনুলের কথা স্মরণ করে মনির হোসেন বলেন, আমার ভাই মারা গেছে, এ ক্ষতি তো আর কোনোভাবেই পোষাবে না। চাকরিটা আমার আগেরই ইচ্ছা ছিল। ভাইকে তো হারিয়েছিই। আমি চাই, সড়কে যেন সবার চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যেন আর কাউকে ভাই হারাতে না হয়। সাবেক মেয়র আনিসুল হকের যে পরিকল্পনা ছিল সে ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে যেন বাস্তবায়ন করা হয়।

আরও পড়ুন- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মেজর জিয়াকে খুঁজছে র‍্যাব

উল্লেখ্য, দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাইনুদ্দিন সবার ছোট। বড় ভাই মনির ছোট একটি চাকরি করেন। মূলত সংসার চলে বাবার টিনের ছোট্ট চায়ের দোকানের আয় থেকেই। বড় ভাই ভালো কিছু না করার কারণে এ সংসারের হাল ধরতে চেয়েছিল সে। 

মাইনুদ্দিনদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। প্রায় ১৫ বছর রামপুরা এলাকায় বসবাস করছে তার পরিবার। স্কুল জীবন ও বাবার চায়ের দোকানে সহযোগিতা করার কারণে ওই এলাকায় বেশ পরিচিত ছিল মাঈনুদ্দিন। ছিল মেধাবী ছাত্রও।

আইনিউজ/এসডিপি 

ঘুরে আসুন মৌলভীবাজারের পাথারিয়া পাহাড়

হাইল হাওরের বাইক্কাবিলে পর্যটক আর পদ্মটুনার ভিডিও ভাইরাল

জলময়ূরের সাথে একদিন | বাইক্কা বিল | ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফি

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়