Bilas Moulvibazar, Bilas

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৫ মার্চ ২০২৬,   ফাল্গুন ২১ ১৪৩২

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭:৫২, ১ জুলাই ২০২৪
আপডেট: ১৭:৫৬, ১ জুলাই ২০২৪

শাবিপ্রবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্ধ দিবস ও শিক্ষকদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন

ছবি- আই নিউজ

ছবি- আই নিউজ

সর্বজনীন পেনশন স্কিমসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, সুপারগ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তন এই তিন দফা দাবি আদায়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি)  শিক্ষকরা সর্বাত্মক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্ধ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছে। এসময় শিক্ষকরা অনলাইন এবং অফলাইনে ক্লাস,পরীক্ষা নেওয়া হতে বিরত ছিলেন।

সোমবার (১ জুলাই) কর্মকর্তা কর্মচারীরা সকালে ৯টা হতে ১টা পর্যন্ত ও শিক্ষকরা সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করেছেন। এসময় শিক্ষকরা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নতুন ভবনের সামনে, কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধু চত্বরের সামনে ও কর্মচারীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।  

জানা যায়, এই তিন দফা দাবিতে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আহবানে গত ৯ মে হতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তবুও কোন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। এজন্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বাধ্য হয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতি দিয়েছে আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশন।

এই আন্দোলনে নতুন করে কর্মসূচি দিয়েছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশন ও বাংলাদেশ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। এই দুই সংগঠনের আহবানে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ১লা জুলাই অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছে কর্মকর্তাদের সংগঠন 'শাবি অফিসার্স এসোসিয়েশন' ও কর্মচারীদের সংগঠন 'সহায়ক কর্মচারী এসোসিয়েশন', 'সহায়ক পরিবহন সমিতি' ও 'শাবি কর্মচারী ইউনিয়ন'। 

অবস্থান কর্মসূচিতে কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংগঠনের নেতারা বলেন, আমরা এই প্রত্যয় স্কিম বাতিল চাই। আমাদের ঘোষিত ৩দিনের কর্মসূচির মধ্যে যদি দাবি মেনে নেওয়া না হয় থাহলে নতুন করে আরো কর্মসূচি আসতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষক নেতারা বলেন, আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেসে। শিক্ষকতা হচ্ছে মহান পেশা। এই পেশায় মেধাবীরা আসে।  যদি এই পেশায় কোনো নিরাপত্তাই না থাকে তাহলে মেধাবীরা এই পেশায় আসবে না। তাহলে শিক্ষাব্যবস্থা মুখ থুবরে পড়বে।  

আই নিউজ/এইচএ 

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়