ঢাকা, মঙ্গলবার   ২১ এপ্রিল ২০২৬,   বৈশাখ ৮ ১৪৩৩

প্রকাশিত: ০৬:৪০, ৩ আগস্ট ২০১৯
আপডেট: ০৬:৪২, ৩ আগস্ট ২০১৯

ফেনসিডিল খাওয়ার কথা বলে এনে বন্ধুকে খুন

৩০ জুলাই তাকে সাতক্ষীরা থেকে মোবাইল করে ডেকে আনা হয়। এরপর তিনটি মোটরসাইকেলে করে ছোটবাবুসহ ৬ জন বেনাপোলে যায় ফেনসিডিল সেবনের জন্য। গোগার কালিয়ানি গ্রামের জাফর আলীর জমিতে নিয়ে তুর্য ও স্বাক্ষর দু’টি চাকু দিয়ে তাকে হত্যা করে।

আইনিউজ ডেস্ক: ফেনসিডিল খাওয়ার কথা বলে  ডেকে  নূর জামাল ওরফে ছোটবাবুকে হত্যা করেছে (২৪) তার পাঁচ বন্ধু। গতকাল শুক্রবার (২ আগস্ট) যশোরে প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সালাউদ্দিন সিকদার এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়,ছোটবাবু প্রায়ই তুর্যর মোটরসাইকেলটি চাইতো ব্যবহারের জন্য। মোটরসাইকেল না দিলেও তাকে ২০০-৫০০ টাকা দিতে হতো। এ কারণে তুর্য তার ওপর বিরক্ত ছিল। এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অন্য বন্ধুর সঙ্গে পরামর্শ করে সে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩০ জুলাই তাকে সাতক্ষীরা থেকে মোবাইল করে ডেকে আনা হয়। এরপর তিনটি মোটরসাইকেলে করে ছোটবাবুসহ ৬ জন বেনাপোলে যায় ফেনসিডিল সেবনের জন্য। গোগার কালিয়ানি গ্রামের জাফর আলীর জমিতে নিয়ে তুর্য ও স্বাক্ষর দু’টি চাকু দিয়ে তাকে হত্যা করে।

মৃত ছোটবাবুর পকেট থেকে তার মোবাইল ফোন ও পাশ থেকে দু’টি চাকু উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে তার নম্বর ট্রাকিং করে তুর্য, স্বাক্ষর ও সাজ্জাদুলের অবস্থান জানতে পারে। গত ৩১ জুলাই ঝিকরগাছা রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক জাফর ও শাহিনকে আটক করা হয়। তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা জানায় তাদের সঙ্গে আল-আমিন নামে আরেকজন ছিল। সে পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, ছোটবাবু নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বড়ভাই (বড়বাবু) ১৬টি মামলার আসামি। ছোটবাবুর নামে ঢাকার দারুস সালাম থানায় একটি মামলা আছে।

এরই মধ্যে ওই পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো,  তাজরিয়ান মাহমুদ তুর্য (১৯), তাহজীবুল বিশ্বাস অক্ষর (২০), সাজ্জাদুল ইসলাম (১৯), আবু জাফর (১৯) ও শাহিন হোসেন (২০)।

ছোটবাবুর বাবা একসময় ঝিকরগাছা রেলস্টেশনের কোয়ার্টারে থাকতো। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর সে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার মাঝিপাড়ায় মায়ের সঙ্গে থাকতো।

এইচএ/ইএন

Green Tea
সর্বশেষ
জনপ্রিয়